সন্তানকে স্কুল ব্যাগে লোডেড বন্দুক দেয়ার অভিযোগে ফ্লোরিডায় এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এমএসএন জানায়, গত ১৩ আগস্ট ক্লে কাউন্টির মিডলবার্গে অবস্থিত কপারগেট স্কুল অফ দ্য আর্টস পরিচিত কপারগেট প্রাইমারি স্কুলে এমন উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটে।
গত ১৩ আগস্ট ছোট শিশুটি স্কুলে পৌঁছানোর পর ব্যাকপ্যাকে বন্দুকটি দেখতে পায় এবং তার শিক্ষককে বিষয়টি জানায়। পরে শিক্ষক ক্লে কাউন্টি শেরিফের অফিস (সিসিএসও) এবং স্কুল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
ক্লে কাউন্টি শেরিফের অফিসের (সিসিএসও) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, কপারগেট প্রাইমারি স্কুলে শিশুটির ক্লাসের প্রথম সপ্তাহে, কর্মকর্তারা একজন ছাত্রের ব্যাকপ্যাকে একটি বন্দুক খুঁজে পান।
সিসিএসও জানায়, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে স্কুলটিকে ‘সিকুয়ার স্ট্যাটাস’ ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে ক্লাস চলাকালীন কাউকে স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে বের হতে বা প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়, যাতে ডেপুটিরা অস্ত্রটি খুঁজে বের করে জব্দ করতে পারে।
পুলিশ জানায়, শিশুর মা ৩৯ বছর বয়সী সিয়েরা ব্রোনার ব্যাকপ্যাকে বন্দুক রেখেছিলেন এবং শিশুকে নির্দেশ দিয়েছিলেন এটি তার বাবার কাছে পৌঁছে দিতে। শিশুটির বাবা-মা একই বাসভবনে থাকেন না।
বন্দুকটি ব্যাগে আছে তা না জেনেই, বাবা সন্তানকে স্কুলে নামিয়ে দেন।
এ ঘটনায় ব্রোনারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং শিশুদের প্রতি অবহেলা এবং একজন নাবালককে আগ্নেয়াস্ত্র দেওয়ার অভিযোগে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ফ্লোরিডা ডিপার্টমেন্ট অফ চিল্ড্রেন অ্যান্ড ফ্যামিলিজকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ডব্লিউটিএলভি এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রোনারকে পরবর্তীতে ক্লে কাউন্টি জেলে স্থানান্তর করা হয়েছে।
ক্লে কাউন্টি শেরিফ মিশেল কুক সামাজিক মাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে জানান, সকল শিশু নিরাপদে আছে।
কুক এ ঘটনায় নিন্দা প্রকাশ করে বলেন, এটি একটি ভুল সিদ্ধান্ত। যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটাতে পারত। বাবা-মায়েদের উচিত শিশুদের স্কুলে পাঠানোর আগে তাদের জিনিসপত্র পরীক্ষা করা এবং কী আনা উচিত বা উচিত নয় তা সম্পর্কে খোলাখুলি কথা বলা।