মিসরের দক্ষিণাঞ্চলে ১৯ বছর বয়সী ছেলের ছুরিকাঘাতে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
গালফ নিউজ শুক্রবার জানায়, ঘটনাটি পারিবারিক সহিংসতা থেকে মাকে রক্ষার জন্য ছেলেটির চেষ্টা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কেনা গভর্নরেটের পুলিশ জানায়, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ঝামেলার খবর পেয়ে বাহিনীর সদস্যরা নাগ হামাদি শহরের একটি বাড়িতে যান। ভেতরে গিয়ে কর্মকর্তারা রক্তে ভেজা অবস্থায় ৫০ বছর বয়সী এক শ্রমিকের মরদেহ দেখতে পান। তার বুকে ছুরির প্রাণঘাতী একটি আঘাত ছিল।
তদন্তকারীদের মতে, প্রাণ হারানো ব্যক্তি সৌদি আরবে থাকতেন। সেখান থেকে সম্প্রতি তিনি মিসরে ফেরেন।
প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানান, ওই দম্পতির মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগে ছিল। ওই ব্যক্তি বাড়িতে ফেরার পর সেটি বেড়েছে বলে মনে হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার দিন ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার স্ত্রীর উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। সেটি একসময় গড়ায় হাতাহাতিতে।
ওই দম্পতির তরুণ সন্তান শুরুতে তার মাকে রক্ষা করতে যান বলে খবর পাওয়া যায়, কিন্তু বাবা তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলে তিনি একটি কিচেনের ছুরি এনে বাবাকে একবার ছুরিকাঘাত করেন। ছুরিকাঘাতের পরপরই তার বাবার মৃত্যু হয়।
হত্যার পরপরই তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তিনি দোষ স্বীকার করে বাহিনীটিকে জানান, মায়ের ওপর চলমান মৌখিক ও শারীরিক নিপীড়ন মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি। এ কারণে তাকে রক্ষার্থে বাবার প্রাণ কেড়ে নিয়েছেন।