ফ্লোরিডায় অবস্থিত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বাসভবন মার-এ-লাগোতে প্রবেশের পর নিহত সশস্ত্র ব্যক্তি বন্দুক চালাতে পারতেন না বলে জানিয়েছে সন্দেহভাজনের চাচাত ভাই ব্রেইডেন ফিল্ডস।
এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
ফিল্ডসের বরাত দিয়ে এবিসি নিউজ জানায়, প্রেসিডেন্টের বাড়িতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করা ওই ব্যক্তি হলেন ২১ বছর বয়সী তরুণ অস্টিন টাকার মার্টিন। তিনি নর্থ ক্যারোলাইনার বাসিন্দা।
গত রোববার রাত দেড়টার দিকে মার-এ-লাগোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে বন্দুকসহ প্রবেশ করেন মার্টিন। ওই ঘটনায় ইউএস সিক্রেট সার্ভিস ও পাম বিচ শেরিফ অফিস কর্মকর্তার গুলিতে তিনি নিহত হন।
প্রেসিডেন্টের বাড়িতে প্রবেশ করার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে ফিল্ডস বলেন, ‘মার্টিন খুব শান্ত স্বভাবের এবং বন্দুক চালানোর বিষয়ে অনভিজ্ঞ। সে শুধু গলফ খেলতে ভালোবাসত আর সেটি নিয়েই ব্যস্ত থাকত।’
পরে ফিল্ডস আরও জোর দিয়ে বলেন, ‘এমনকি সে বন্দুক চালাতেই জানত না।
‘আমি অনেকবার তার সামনে বন্দুক রেখেছি কিন্তু সে ব্যবহার করেনি। বন্দুকের শব্দ মার্টিন অপছন্দ করত।‘
পাশাপাশি মার্টিনের পরিবার ট্রাম্প ও রিপাবলিকান পার্টির সমর্থক বলেও জানান ফিল্ডস। মার্টিন নিজেও কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
ঘটনাটির তদন্তকারী ফেডারেল কর্মকর্তা জানান, রোববার রাত ১টা ৩৮ মিনিটে মার্টিনের এক আত্মীয় তাকে খুঁজে না পেয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবগত করেন।
পরে নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকায় তার নাম ওঠে। মার্টিন যখন নিখোঁজ হন, তখন তিনি ট্রাম্পের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বলে জানান ফিল্ডস।
ফিল্ডসের ভাষ্য, ‘মার্টিনকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলা বিভিন্ন সমালোচনা তার মা নিতে পারছেন না।
‘যদি কেউ তাকে সত্যিকারে না চিনত, তাহলে বুঝত না। সে সত্যিই ভালো ছেলে ছিল।’