Skip to main content

বন্দুক সহিংসতা
৭ মাসে ১৬৩ খুন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে নিরাপত্তা উদ্বেগ

আপেল মাহমুদ, নিউ ইয়র্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৭ ২০২৫, ২৩:১৯ হালনাগাদ: এপ্রিল ১৮ ২০২৬, ২:৪৮

ম্যানহাটনে সাম্প্রতিক হামলায় অভিযুক্ত শেন ট্যামুরা। ছবি: ফক্স ১৩

ম্যানহাটনে সাম্প্রতিক হামলায় অভিযুক্ত শেন ট্যামুরা। ছবি: ফক্স ১৩

  • 0

অপরাধীরা জেল থেকে বের হয়ে যাতে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়তে না পারে, সেদিকে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন এনওয়াইপিডির সাবেক লুটেন্যান্ট সামসুল হক।

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে নিউ ইয়র্ক সিটিতে ৪১২টি বন্দুক সহিংসতায় খুন হয়েছেন ১৬৩ জন।

প্রতিনিয়ত বন্দুক হামলায় নিহতের ঘটনায় উদ্বিগ্ন সময় কাটাচ্ছেন নিউ ইয়র্কের বাসিন্দারা।

নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট- এনওয়াইপিডির তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ জুলাই মাসে খুন হন ২৫ জন।

টিবিএন ২৪ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিটির নিরাপত্তা বাড়াতে অস্ত্রের রেজিস্ট্রেশন কঠোর করার দাবি তুলেছেন কুইন্সের কংগ্রেস উইম্যান গ্রেস ম্যাং।

অপরাধীরা জেল থেকে বের হয়ে যাতে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়তে না পারে, সেদিকে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন এনওয়াইপিডির সাবেক লুটেন্যান্ট সামসুল হক।

শুধু অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নয়, সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাসের জন্য অনেকের পছন্দের শীর্ষে থাকে নিউ ইয়র্ক, তবে প্রিয় এ শহরে প্রতিদিন বাড়ছে চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, খুনসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।

সবশেষ নগরের কেন্দ্রবিন্দু ম্যানহাটনে বাংলাদেশি অ্যামেরিকান পুলিশ কর্মকর্তা বন্দুকধারীর গুলিতে প্রাণ হারানোয় এখানকার জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

এনওয়াইপিডির তথ্য অনুযায়ী, গত সাত মাসে সিটিতে সহিংসতায় খুন হন ১৬৩ জন। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ২৫, ফেব্রুয়ারিতে ১৯, মার্চে ১৭, এপ্রিলে ২৮, মে মাসে ১৮ এবং জুনে ৩১ জন সহিংসতার বলি হন।

সবশেষ জুলাই মাসে খুন হন ২৫ জন। এ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১৯৩টি এবং ছিনতাই হয়েছে হাজারের বেশি।

যে শহরটিতে একসময় ২৪ ঘণ্টা নির্বিঘ্নে মানুষ চলাচল করতেন, সেখানে এখন সবাইকে পা ফেলতে হচ্ছে অনেক হিসাব করে।

নগরে নিরাপত্তা কমে যাওয়ার জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির কথাও বলেন কেউ কেউ।

অস্ত্র আইন বিল সংশোধন করতে না পারা সহিংসতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই।

কঠোর নিরাপত্তা আর বিশ্বসেরা প্রযুক্তি ব্যবহারের পরও নিরাপত্তা কেন এমন নাজুক হলো, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন তুলছেন নগরের বাসিন্দারা।