অ্যামেরিকার সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় আলোচনায় অংশ নিতে ইরানি প্রতিনিধি দল এ সপ্তাহে ইসলামাবাদে যাবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই।
সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, অ্যামেরিকার কিছু পদক্ষেপ নিয়ে ইরানের উদ্বেগ রয়েছে। এর মধ্যে আছে হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বন্দরের ওপর অ্যামেরিকার অবরোধ, একটি ইরানি জাহাজ জব্দের ঘটনা এবং প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি।
বাঘেই বলেন, ‘আমরা আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু আমেরিকার পক্ষ থেকে আমরা এমন আচরণ দেখেছি, যা তাদের অসৎ উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত দেয়।
‘তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে এবং যুদ্ধাপরাধের হুমকি দিচ্ছে।’
একইসঙ্গে শান্তি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানও ইরানের উপস্থিতি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে।
দেশটির তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, শান্তি আলোচনা অংশ নিতে রাজধানী ইসলামাবাদে আগমনের বিষয়ে ইরানের তরফ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব পায়নি পাকিস্তান।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তারার বলেন, ‘ইরানকে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় অংশ নিতে রাজি করানোর জন্য আমরা আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছি এবং এই প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’
এদিকে, দ্বিতীয় দফার বৈঠকে অংশ নিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ শীর্ষ অ্যামেরিকান কূটনীতিকদের আজ ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার কথা রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইসলামাবাদে কূটনীতিকদের পাঠানো ছাড়া ইরানের বিকল্প কোনো পথ নেই।
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, বুধবার যুদ্ধবিরতির শেষদিন দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা- যা এখন অনিশ্চিত।