সারা দেশে আজ (রোববার) বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, নাটোর, পঞ্চগড় ও জামালপুরে পৃথক পৃথক ঘটনায় এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
গাইবান্ধায় সবচেয়ে বেশি ৫ জন নিহত হয়েছেন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নে বজ্রপাতে তিনজন নিহত ও একজন আহত হন। নিহতরা হলেন ফুয়াদ (১৪), রাফি (১৫) ও মিজান (২০)।
একই জেলার সাঘাটা উপজেলায় নম্বার আলী (৬৫) এবং ফুলছড়ি উপজেলার জামিরার চরে মানিক হোসেন (২২) বজ্রপাতে নিহত হন। মানিক হোসেন ঘোড়া নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রাঘাতে মারা যান। এ সময় ঘোড়াটিও মারা যায়।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে নারী-পুরুষসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন সেলিনা আক্তার ও ইলিয়াস আলী (৩৭)। তারা পৃথক স্থানে ফসলি জমিতে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতের শিকার হন।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় চা-বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে সোহরাওয়ার্দী (৩৫) নামে এক চা শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক আহত হন।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন আব্দুল হামিদ (৫০) ও হাসান আলী (২৪)। তারা বৃষ্টির মধ্যে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান।
জামালপুরের সদর ও মেলান্দহ উপজেলায় বজ্রপাতে গৃহবধূ মর্জিনা বেগম (৪০) ও কৃষক হাসমত আলী (৪৫) নিহত হয়েছেন। একজন বাড়ির উঠানে কাজ করার সময় এবং অন্যজন মাঠ থেকে ফেরার পথে বজ্রাঘাতে মারা যান।
এদিকে নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে সম্রাট (২৬) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাগুলো নিশ্চিত করেছে। খোলা মাঠে কাজ করার সময় বা বাড়ি ফেরার পথে বজ্রাঘাতে বেশিরভাগ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।