ভারতের লখনউয়ের গোরক্ষপুরে বুধবার একটি ব্যস্ত বাজারের মাঝখানে এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছেন।
টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানায়, বিশ্বকর্মা চৌহান নামে ওই ব্যক্তি তার হেলমেটে একটি পিস্তল লুকিয়ে রেখেছিলেন। স্ত্রী মমতা চৌহানকে গুলি করার পর তিনি প্রায় ২৫ মিনিট ধরে ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন।
এসময় তিনি বারবার বলতে থাকেন, সে আমাকে খুব অত্যাচার করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক স্বামীকে আটক করেছে।
বিশ্বকর্মা এবং মমতা চৌহান ১৫ বছর ধরে বিবাহিত ছিলেন। তবে, গত দেড় বছর ধরে এই দম্পতির মধ্যে বিরোধ চলছিল, যার ফলে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।
মমতা তাদের ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে শাহপুর এলাকায় একটি ভাড়া ঘরে থাকতেন। তিনি ব্যাংক রোডের একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, একটি ফটো স্টুডিওতে মমতা তার ছবি তুলতে যান। এসময় বিশ্বকর্মা তার বাইকে স্টুডিওর বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন। মমতা স্টুডিও থেকে বের হলে দম্পতির মধ্যে তর্ক শুরু হয়, যা শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়।
রাগের বশে বিশ্বকর্মা তার পিস্তল বের করে মমতার দিকে দুটি গুলি চালান, একটি তার বুকে এবং অন্যটি তার হাতে লাগে।
মমতা ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন এবং আশেপাশের লোকজন তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করে।
শাহপুর থানার এসএইচও নীরজ রাই বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। বিশ্বকর্মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।