Skip to main content

লেবাননে স্বাধীনভাবে হামলা চালানোর ইঙ্গিত ইসরায়েল কাটজের

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২১ ২০২৬, ১৪:৫৩

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। ছবি: রয়টার্স

  • 0

কাটজ-এর এসব বক্তব্য এমন এক দিনে এসেছে, যখন সুইজারল্যান্ডে সমঝোতা স্মারকে উল্লেখিত লেবাননে ইসরায়েলের পুরোপুরি হামলা বন্ধের দাবি পূরণ না হওয়ায় ইরান ও অ্যামেরিকার বৈঠক চলছে।

লেবাননে হুমকি মোকাবিলায় স্বাধীনভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ইসরায়েলি সেনাদের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। একইসঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’-এ ইসরায়েলের অবস্থান বজায় থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল যে এলাকাকে ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ হিসেবে উল্লেখ করছে, সেখানে সেনারা অবস্থান অব্যাহত রাখবে।‘

কাটজ-এর এসব বক্তব্য এমন এক দিনে এসেছে, যখন সুইজারল্যান্ডে সমঝোতা স্মারকে উল্লেখিত লেবাননে ইসরায়েলের পুরোপুরি হামলা বন্ধের দাবি পূরণ না হওয়ায় ইরান ও অ্যামেরিকার বৈঠক চলছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের কয়েক মাসের সংঘাতের পর গত শুক্রবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। তবে যুদ্ধবিরতির একদিন পর শনিবার লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হন।

ইসরায়েলের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে তাদের সেনাদের লক্ষ্য করে প্রজেক্টাইল নিক্ষেপের জবাবে এসব হামলা চালানো হয়। এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেন, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর স্থাপনা।

অন্যদিকে হিজবুল্লাহর এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি মেনে চললে তারাও তা মেনে চলবে। তবে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অবাধ চলাচলের অধিকার নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

হিজবুল্লাহর ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার পর থেকে তাদের বাহিনী ইসরায়েলি সেনাদের ওপর কোনো গুলি চালায়নি।

এছাড়াও, দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। হিজবুল্লাহ বলছে, লেবাননের ভূখণ্ডে অবস্থানরত ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার অধিকার তাদের রয়েছে, তবে উত্তর ইসরায়েলে হামলা বন্ধ রাখা হবে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেন, দক্ষিণ লেবাননের প্রায় ১০ কিলোমিটার ভেতর পর্যন্ত বিস্তৃত নিরাপত্তা অঞ্চলের সব অবস্থানে ইসরায়েলি সেনারা থাকবে। তার ভাষ্য, উত্তর ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী জনপদগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য।

বিবৃতিতে কাটজ আরও বলেন, ‘লেবাননে অভিযানের সময় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী-আইডিএফ) যে অর্জনগুলো করেছে, সেগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে।’