কাতারে হামলা চালিয়ে হামাস নেতাদের হত্যাচেষ্টা ইসরায়েলের

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৯ ২০২৫, ১৫:৫৪ হালনাগাদ: মার্চ ৫ ২০২৬, ২:১২

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর এক বিবৃতিতে কাতারে হামলার দায় স্বীকার করেছে। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর এক বিবৃতিতে কাতারে হামলার দায় স্বীকার করেছে। ছবি: রয়টার্স

  • 0

হামাসের একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানায়, দোহাতে হামলাটি হয়েছে তাদের মধ্যস্থতাকারী দলকে লক্ষ্য করে।

কাতারের রাজধানী দোহায় যে বিস্ফোরণ দেখা ও শোনা গেছে, সেটি হামাস নেতাদের হত্যাচেষ্টার ফল বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী।

আল জাজিরা জানায়, মঙ্গলবারের হামলাটি ছিল ইসরায়েল-হামাসের যুদ্ধ বন্ধের মূল মধ্যস্থতাকারী দেশ ও মধ্যপ্রাচ্যে অ্যামেরিকার সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি আল উদেইদের অবস্থান কাতারে ইসরায়েলের প্রথম আক্রমণ।

ফিলিস্তিনের গাজা, লেবানন, ইয়েমেন ও সিরিয়ায় বোমাবর্ষণ চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। দেশটি দখলকৃত পশ্চিম তীরে প্রতিদিনই হামলা করছে।

হামাসের একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানায়, দোহাতে হামলাটি হয়েছে তাদের মধ্যস্থতাকারী দলকে লক্ষ্য করে। অ্যামেরিকার দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের বৈঠকের খবরের মধ্যেই এ হামলা চালানো হলো।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানান, এটি ও গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত সম্প্রতি হামাসের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, হামাস নেতাদের মধ্যে যাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, তারা অনেক বছর ধরে ‘সন্ত্রাসী সংগঠনটির’ কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তারা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা ও ইসরায়েল রাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বাধানোর জন্য সরাসরি দায়ী।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর এক বিবৃতিতে হামলার দায় স্বীকার করে জানায়, হামাসের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা ইসরায়েলের স্বতন্ত্র অভিযান। এটি শুরু ও পরিচালনা করে ইসরায়েল। এর পূর্ণ দায় নিচ্ছে দেশটি।

হামাসের শীর্ষস্থানীয় অনেক সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাকে গত দুই বছরে হত্যা করে ইসরায়েল।

হামলায় প্রাণ হারানো হামাস নেতাদের মধ্যে আছেন রাজনৈতিক শাখার নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার, সামরিক কমান্ডার মোহাম্মেদ দেইফ ও রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়েহ, যাকে হত্যা করা হয় ইরানের রাজধানী তেহরানে।