বুধবার ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, তারা আটজন অভিবাসীকে ডিপোর্টেশন ফ্লাইটে তুলে দিয়েছে, যাদের গুরুতর অপরাধের রেকর্ড রয়েছে। তবে, ফ্লাইটটির গন্তব্য প্রকাশ করেনি তারা।
অভিবাসন আইনজীবীদের দাবি, ওই ফ্লাইটটি আফ্রিকার সহিংসতাপূর্ণ দেশ সাউথ সুদানের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এটি অভিবাসীদের তাদের নিজ দেশ ছাড়া অন্য কোনো দেশে বিতাড়নের সর্বশেষ পদক্ষেপ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল বিচারক ব্রায়ান মার্ফি বলেন, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট নিঃসন্দেহে আদালতের আদেশ লঙ্ঘন করেছে। এর আগে বিচারক মার্ফি আদেশ দিয়েছিলেন- অভিবাসীদের বিতাড়নের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ না দিয়ে, তাদের তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো যাবে না।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএইচএস কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন, মঙ্গলবার টেক্সাস থেকে অভিবাসী বহনকারী একটি বিমান ছেড়ে গেছে।
ডিএইচএস এর মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন বলেন, কিউবা, লাওস, মেক্সিকো, মিয়ানমার, সাউথ সুদান এবং ভিয়েতনামের ওই আট ব্যক্তি অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করেছিলেন। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, যৌন নিপীড়ন, শিশু নির্যাতন এবং ডাকাতির মতো অপরাধের রেকর্ড রয়েছে।
নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ওই ফ্লাইটের চূড়ান্ত গন্তব্য নিশ্চিত করতে অস্বীকৃতি জানান ডিএইচএস মুখপাত্র।
ট্রাম্প প্রশাসন আইন এবং আদালতের আদেশ পুরোপুরি মেনে চলছে দাবি করে, বিচারক ব্রায়ান মার্ফির তীব্র সমালোচনাও করেন ডিএইচএস মুখপাত্র।
সহিংস অপরাধে জড়িত সব অবৈধ অভিবাসীকে দেশ থেকে বিতাড়নের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং ডিএইচএস সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোম বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন তিনি।