আদালতের নিষেধাজ্ঞার পর এক অভিবাসী তরুণীকে হাতকড়া ও শিকল পরিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস সার্ভিসেস-আইস।
এবিসি নিউজ জানায়, ভুক্তভোগী অভিবাসী তরুণী হলেন অ্যানি লুসিয়া লোপেজ বেলোজা। ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণী মধ্য অ্যামেরিকার দেশ হন্ডুরাসের নাগরিক।
সংবাদমাধ্যমটির খবরে উল্লেখ করা হয়, পরিবারের সঙ্গে থ্যাংকসগিভিংয়ের ছুটি কাটাতে শুক্রবার ম্যাসাচুসেটস থেকে টেক্সাস যাচ্ছিলেন বেলোজা। ওই সময় বস্টন এয়ারপোর্ট থেকে আইস তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়ে ভুক্তভোগীর আইনজীবী টড পমারলিউ বলেন, ‘বেলোজাকে একাকী অবস্থায় হাতকড়া ও শিকল পরিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়, যেন তিনি একজন খুনের আসামি।’
আদালতের নথির বরাত দিয়ে এবিসি নিউজ জানায়, বেলোজাকে গ্রেপ্তারের পরপর তাকে অ্যামেরিকার বাইরে ফেরত না পাঠানোর নির্দেশ দেয় ফেডারেল আদালত।
পমারলিউ জানান, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ওইদিন সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীকে হন্ডুরাস ফেরত পাঠানো হয়।
৭ বছর বয়সে অ্যাসাইলাম পেতে পরিবারসহ অ্যামেরিকায় আসেন বেলোজা। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০১৫ সালেই তার বিরুদ্ধে একটি বহিষ্কার আদেশ জারি হয়।
পমারলিউ জানান, বহিষ্কার আদেশ ইমিগ্রেশন রিভিউ অফিসের ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকলেও, বেলোজার বিরুদ্ধে এমন কোনো রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সম্প্রতি ফেডারেল বিচারক বেলোজাকে বিতাড়ন না করার নির্দেশ দেন বলেও উল্লেখ করেন এ আইনজীবী।