মধ্যবর্তী নির্বাচন
আরববিরোধী বক্তব্য কিভাবে রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?
নির্বাচনী সমাবেশে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
- 0

নির্বাচনী সমাবেশে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৯ ২০২৬, ১৬:২১ হালনাগাদ: অক্টোবর ২৯ ২০২৬, ১৬:২১
আমেরিকার আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে আরব ও মুসলিমবিরোধী বক্তব্য রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠছে। বিশেষ করে মিশিগান স্টেটে সেনেট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাঈদের মুসলিম পরিচয় ও আরব বংশোদ্ভূত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে রিপাবলিকান নেতাদের বক্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনে ধর্মীয় পরিচয় ও নিরাপত্তার প্রশ্নকে ভোটারদের প্রভাবিত করার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
সম্প্রতি হেলথ সেক্রেটারি রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র এক নির্বাচনী অনুষ্ঠানে দাবি করেছেন, আরবরা বিজ্ঞান, সাহিত্য কিংবা আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেনি। তাঁর এ বক্তব্যের পর সমালোচনা শুরু হয়। ইতিহাসে আরব ও আরব বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক এবং নোবেলজয়ীদের অবদান তাঁর দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
সৌদি আরবের শীর্ষস্থানীয় বার্তা সংস্থা আরব নিউজের এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিশিগানে সেনেট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরব ও মুসলিমদের নিয়ে এ ধরনের বক্তব্য শুধু একজন প্রার্থীকে আক্রমণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা আমেরিকার রাজনীতিতে পরিচয়ভিত্তিক বিভাজন এবং ইসলামোফোবিয়ার বিস্তৃত প্রবণতাকেও সামনে এনেছে।
রয়টার্স ও এপি’র প্রতিবেদনেও এল-সাঈদকে ঘিরে রিপাবলিকানদের প্রচার এবং কেনেডির বক্তব্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
কেন আলোচনায় আবদুল এল-সাঈদ?
মিশিগানে জন্ম ও বেড়ে ওঠা আবদুল এল-সাঈদ একজন চিকিৎসক ও ডেমোক্র্যাট সেনেট প্রার্থী। তাঁর নির্বাচনী প্রচারের প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবা এবং রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব কমানো।
রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স ও তাঁর সমর্থকেরা এল-সাঈদের মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সম্ভাব্য পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। নির্বাচনী বিজ্ঞাপনেও বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এল-সাঈদের সৎবোনের পুরোনো সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে তাঁদের মায়ের সঙ্গে সংগঠনটির সম্পর্ক থাকার দাবি করা হয়েছিল। এ বিষয়টি রিপাবলিকান প্রচারে ব্যবহার করা হয়েছে।
তবে এল-সাঈদ মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে নিজের কোনো সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, তিন বছর বয়সে মা-বাবার বিচ্ছেদের পর তিনি মিশিগানে তাঁর বাবা ও সৎমায়ের কাছে বড় হয়েছেন।
এল-সাঈদ নির্বাচিত হলে আমেরিকার সেনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হবেন। ফলে তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে ঘিরে বিতর্ক নির্বাচনী প্রচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
কেনেডির বক্তব্যে নতুন বিতর্ক
মিশিগানের গ্র্যান্ড র্যাপিডসে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের পক্ষে এক নির্বাচনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হেলথ সেক্রেটারি রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র।
সেখানে তিনি দাবি করেন, আরবরা বিজ্ঞান, নোবেল পুরস্কার, ফিল্ডস মেডেল ও উলফ প্রাইজের মতো পুরস্কার অর্জন কিংবা সাহিত্যচর্চায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেনি। তাঁর এই বক্তব্যের পর সমালোচনা শুরু হয়।
তবে ইতিহাস ও পুরস্কারের তথ্য কেনেডির দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ১৯৮৮ সালে ইজি্টশিয়ান লেখক নাগিব মাহফুজ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। ২০২৫ সালে প্যালেস্টাইনের বংশোদ্ভূত আমেরিকান বিজ্ঞানী ওমর ইয়াগি রসায়নে নোবেল পুরস্কার পাওয়া তিন বিজ্ঞানীর একজন ছিলেন।
এ ছাড়া ইজিপ্টশিয়ান-আমেরিকান বিজ্ঞানী আহমেদ জেওয়াইল ১৯৯৯ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান। লেবানিজ বংশোদ্ভূত গণিতবিদ মাইকেল আতিয়াহ ফিল্ডস মেডেল অর্জন করেন।
এপি’র তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদনে এসব উদাহরণ তুলে ধরে কেনেডির বক্তব্যের অসংগতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, আরব একটি জাতিগত ও ভাষাগত পরিচয়; অন্যদিকে মুসলিম একটি ধর্মীয় পরিচয়। সব আরব মুসলিম নন, আবার বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিম জনগোষ্ঠীও আরব নন।
ট্রাম্পের বক্তব্য ও নির্বাচনী প্রচার
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও এল-সাঈদকে ঘিরে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। আরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প তাঁকে বারবার ‘মোহাম্মদ’ নামে উল্লেখ করেছেন এবং সামাজিক মাধ্যমে ‘জিহাদি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
৮ অক্টোবরের টেলিভিশন বিতর্কে রজার্স এল-সাঈদের পরিবারের কোনো সদস্য নিরাপত্তা নজরদারির তালিকায় থাকতে পারেন কি না, সে প্রশ্ন তোলেন। পরদিন ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে এল-সাঈদকে ‘জিহাদি উন্মাদ’ বলে মন্তব্য করেন।
এরপর পোর্ট হুরনের এক সমাবেশেও ট্রাম্প তাঁকে সন্ত্রাসীদের পক্ষের লোক বলে আখ্যা দেন। এল-সাঈদ সেনেটে নির্বাচিত হলে তাঁকে মেটাল ডিটেক্টরের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে হবে—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।
রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রসঙ্গ সামনে আনার মাধ্যমে রিপাবলিকান প্রচারকর্মীরা এল-সাঈদের সমর্থন কমানোর চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে ডিট্রয়েট অঞ্চলের কৃষ্ণাঙ্গ ও ইহুদি ভোটারদের সমর্থন ধরে রাখা এই নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তবে এ কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কিছু বিশ্লেষকের মতে, এ ধরনের প্রচার ভোটারদের একাংশকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে উল্টো প্রতিক্রিয়াও তৈরি করতে পারে।
আরব বিরোধী বক্তব্য কি নতুন?
আরব আমেরিকান ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট জেমস জগবির মতে, আমেরিকার রাজনীতিতে আরববিরোধী বক্তব্যের ইতিহাস দীর্ঘ। ১৯৮০-এর দশকেও নির্বাচনী প্রচারে আরবদের অর্থ ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে নেতিবাচক প্রচার চালানো হতো।
জগবি আরব নিউজকে বলেন, আগে কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে আরব আমেরিকান কর্মী যুক্ত থাকলেও তা নিয়ে আপত্তি তোলা হতো। কখনো কখনো আরবদের কাছ থেকে নেওয়া অনুদান ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
তবে তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতির বিশেষ দিক হলো প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের ব্যাপক প্রচারক্ষমতা। প্রেসিডেন্ট যখন বারবার কোনো জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করেন, তখন তা জাতীয় রাজনৈতিক আলোচনায় আরও বেশি প্রভাব ফেলতে পারে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতেও মুসলিম পরিচয়কে ঘিরে বিতর্ক দেখা গেছে। নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র জোরান মামদানিকে নিয়ে কয়েকজন রিপাবলিকান নেতার মন্তব্য এবং ৯/১১ হামলার প্রসঙ্গ টেনে তাঁর সমালোচনা করার ঘটনাও আরব নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
টেনেসির রিপাবলিকান রেপ্রেজেন্টেটিভ অ্যান্ডি ওগলস সামাজিক মাধ্যমে মুসলিমদের আমেরিকার সমাজের অংশ হওয়া নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন। এসব বক্তব্যের সমালোচকেরা মনে করেন, এর মাধ্যমে একটি ধর্মীয় জনগোষ্ঠীকে সামগ্রিকভাবে সন্দেহের চোখে দেখার প্রবণতা উৎসাহিত হতে পারে।
২০২৪ সালে আরব আমেরিকান ভোটারদের সমর্থন পেয়েছিলেন ট্রাম্প
২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আরব আমেরিকান ভোটারদের সমর্থন পেতে সক্রিয় প্রচার চালিয়েছিলেন ট্রাম্প। গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলের প্রতি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সমর্থনে অসন্তুষ্ট অনেক আরব আমেরিকান ভোটার ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসের পরিবর্তে ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিলেন। ট্রাম্প তখন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিট্রয়েটের উপশহর ডিয়ারবর্নে ২০২০ সালের নির্বাচনে বাইডেন প্রায় ৩০ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। ২০২৪ সালে হ্যারিসের ভোট প্রায় অর্ধেকে নেমে আসে। একই সময়ে ট্রাম্পের ভোট ২০২০ সালের প্রায় ১৩ হাজার থেকে বেড়ে ১৮ হাজারে পৌঁছায়।
ডিয়ারবর্নে আরব আমেরিকান জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। ফলে এ অঞ্চলের ভোট নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্পের পক্ষে প্রচার চালাতে ‘আরব আমেরিকানস ফর ট্রাম্প’ নামের একটি সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছিল। প্যালেস্টাইনের বংশোদ্ভূত আমেরিকান ব্যবসায়ী বিশারা বাহবাহ ২০২৪ সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
২০২৫ সালে গাজা দখলের বিষয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবের প্রতিবাদে সংগঠনটির নাম পরিবর্তন করে ‘আরব আমেরিকানস ফর পিস’ রাখা হয়। এল-সাঈদকে ঘিরে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য আরব ও মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
তবে ২০২৪ সালের ভোটের প্রবণতা থেকে সরাসরি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না যে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আরব আমেরিকান ভোটাররা একইভাবে ভোট দেবেন।
ইসরায়েল-গাজা নীতি ও নির্বাচনী অর্থায়ন
এল-সাঈদ গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে আমেরিকার সমর্থনের ধারাবাহিক সমালোচক। আরব আমেরিকান ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট জগবির মতে, তাঁর এই অবস্থানও নির্বাচনী বিরোধিতার একটি কারণ হতে পারে।
জগবি অভিযোগ করেছেন, এল-সাঈদকে পরাজিত করার লক্ষ্যে ইসরায়েলপন্থী গোষ্ঠীগুলোর অর্থ নির্বাচনী প্রচারে ব্যয় করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সুপার প্যাক এবং অন্যান্য স্বাধীন নির্বাচনী ব্যয় তহবিলের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।
সুপার প্যাক হলো এমন রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি, যা প্রার্থীদের পক্ষে বা বিপক্ষে নির্বাচনী প্রচারে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে পারে। তবে জগবির অর্থায়নসংক্রান্ত অভিযোগকে স্বাধীনভাবে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে দেখা উচিত নয়; এ বিষয়ে নির্দিষ্ট অর্থের উৎস ও ব্যয়ের নথি আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
এল-সাঈদকে ঘিরে বিতর্ক তাই শুধু ধর্মীয় পরিচয়ের প্রশ্ন নয়। এর সঙ্গে আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্য নীতি, ইসরায়েলকে সমর্থন, নির্বাচনী অর্থায়ন এবং রাজনৈতিক প্রচারের ধরনও জড়িয়ে রয়েছে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে এর প্রভাব কী হতে পারে?
৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আমেরিকার কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারিত হবে। মিশিগানের সেনেট আসনটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর ফল সেনেটে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে, তা নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে। মিশিগানের সেনেট নির্বাচন এখন শুধু দুই প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ধর্মীয় পরিচয়, অভিবাসী জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, মধ্যপ্রাচ্য নীতি এবং নির্বাচনী প্রচারে বৈষম্যমূলক বক্তব্যের ব্যবহার।
এল-সাঈদকে ঘিরে বিতর্কে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে সামনে এসেছে।
প্রথমত, ধর্মীয় পরিচয়কে নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহার করা হলে প্রার্থীদের নীতি, যোগ্যতা ও কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা আড়ালে পড়ে যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, ২০২৪ সালে ট্রাম্পকে সমর্থন করা কিছু আরব আমেরিকান ভোটারের সঙ্গে তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানের দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না, তা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তৃতীয়ত, গাজা যুদ্ধ এবং ইসরায়েলকে আমেরিকার সমর্থনের প্রশ্ন আরব ও মুসলিম ভোটারদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে এসব বিতর্কের চূড়ান্ত প্রভাব নির্বাচনের ফলাফলের আগে নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
সূত্র: আরব নিউজ, রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।
