Skip to main content

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী এল নিনো, বাড়বে তাপমাত্রা, খরা ও ঘূর্ণিঝড়

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২ ২০২৬, ১৭:০৯ হালনাগাদ: জুন ১০ ২০২৬, ১৭:২৪

জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা ডব্লিউএমওর সদরদপ্তর।

জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা ডব্লিউএমওর সদরদপ্তর।

  • 0

ডব্লিউএমওর তথ্য অনুযায়ী, এল নিনোর ফলে চলতি মাস থেকে শুরু করে আগস্ট মাস পর্যন্ত বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করবে। এছাড়াও এল নিনো পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে নভেম্বর মাস পর্যন্ত।

জাতিসংঘের আবহাওয়া বিষয়ক সংস্থা ওয়ার্ল্ড মেটেওরোলজিকাল অর্গানাইজেশন-ডব্লিউএমও আজ মঙ্গলবার জানিয়েছে, একটি মাঝারি কিংবা শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে আগামী কয়েক মাসে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি এ সময় চরম ঝুঁকিপূর্ণ আবহাওয়া পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

ডব্লিউএমওর তথ্য অনুযায়ী, এল নিনোর ফলে চলতি মাস থেকে শুরু করে আগস্ট মাস পর্যন্ত বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করবে। এছাড়াও এল নিনো পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে নভেম্বর মাস পর্যন্ত।

এমন বাস্তবতায় এল নিনো কতটা শক্তিশালী রূপ ধারণ করবে-তা নিশ্চিত না হলেও, জরুরি পরিস্থিতির জন্য সবাইকে তৈরি থাকার আহ্বান জানিয়েছে ডব্লিউএমও।

সংস্থাটির সেক্রেটারি জেনারেল সেলেস্তে সাউলো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের সবাইকে সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, যা কিনা খরা ও ভারী বৃষ্টিপাত বাড়িয়ে তুলবে এবং স্থল ও সমুদ্র উভয় স্থানেই তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বৃদ্ধি করবে।’

বিভিন্ন অঞ্চলে যে যে দুর্যোগ আসবে

ডব্লিউএমওর তথ্য অনুযায়ী, এল নিনোর কারণে অস্ট্রেলিয়া, মধ্য আমেরিকা, ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশে খরা দেখা দিতে পারে।

একইসঙ্গে মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে হারিকেন সৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া, দক্ষিণ অ্যামেরিকা মহাদেশ ও অ্যামেরিকার দক্ষিণাঞ্চল, আফ্রিকার শিং ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত দেখা দিবে।

এল নিনো কী?

এল নিনো মূলত প্রশান্ত মহাসাগরের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা থেকে সৃষ্ট জলবায়ু পরিস্থিতি যা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার ধরণকে পরিবর্তন করে।

প্রতি ২ থেকে ৭ বছর পরপর মধ্য ও পূর্ব ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পায় এবং এল নিনো ঘটে।

সর্বশেষ ২০২৩-২০২৪ সালের মধ্যবর্তী সময়ে শক্তিশালী এল নিনো দেখা দেয়। এর প্রভাবে ২০২৪ সাল বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড গড়েছিল।