বাংলাদেশিদের জন্য কি এফ২এ ভিসা বন্ধ করা হয়েছে?
এফটুএর এআই নির্মিত চিত্র। ছবি: গ্রোক
- 0

এফটুএর এআই নির্মিত চিত্র। ছবি: গ্রোক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮ ২০২৫, ২১:৫২

অ্যামেরিকায় দম্পতি এবং গ্রিন কার্ডধারীদের ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানদের জন্য একটি ভিসা ক্যাটাগরি হলো ‘এফ২এ’। এ ক্যাটাগরির ভিসা নিয়ে টিবিএন অ্যানালাইসিসের অতিথি অ্যাটর্নি মাহফুজুর রহমানের কাছে একটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়েছেন এক দর্শক। আইন ও বাস্তবতার আলোকে বিষয়টি জানিয়েছেন অতিথি।
দর্শক: আমার আম্মু আমার ভাইয়ের জন্য অ্যাপ্লাই করছে ২০১৯ সালে। এফটুএ ভিসা…এখন আমার একটা কোশ্চেন হলো জাস্ট ফর মাই নলেজ, লাস্ট ওয়ান ইয়ার যাবত ওরা কোনো ভিসা দিচ্ছে না; এফটুএ ভিসা। এর কারণ কী আর এই ক্যাটাগরি কি বাদ দিয়ে দিতে পারে বাংলাদেশে না কবে নাগাদ শুরু হইতে পারে? আর আমি আমার মাকে কি সিটিজেন বানাইতে পারি? তাইলে কি একটু তাড়াতাড়ি হইতে পারে?
টিবিএন: আপনার মা কবে এসছেন? কবে গ্রিন কার্ড পেয়েছেন?
দর্শক: আমার মা এসেছে ছয় বছর। আমার ভাইয়ের জন্য অ্যাপ্লাই করছি ছয় বছর প্রায়।
মাহফুজুর রহমান: উনি যে প্রশ্নটা করেছে এটা আসলে অনেকেরই সিমিলার সিচুয়েশন। বিশেষ করে এফটুএ ক্যাটাগরির। যদিও আমরা প্রায় সময় দেখি এটা খুব ভালোভাবে অ্যাডভান্স হচ্ছে, কিন্তু প্র্যাকটিক্যালি কিন্তু দেখা যায় যে, উনিশ সাল, বিশ সালের আবেদন যারা প্রায়রিটি ডেট আছে, ওসব কেসও কিন্তু এখনও পেন্ডিং আছে। তারা (কর্তৃপক্ষ) কিন্তু ইন্টারভিউ শেষ করেনি।
এটার আসলে আনফরচুনেটলি আনসার কোথাও, স্টেইট ডিপার্টমেন্টও ক্লিয়ার করে কাউকে বলেনি। এটা জাস্ট প্রিজামশন যে, ওরা ওই ক্যাটাগরি হয়তো কোনো কারণে বিহাইন্ডে আছে অথবা তাদের যে ওভারঅল যে বিশ্বের সবগুলো কান্ট্রির হিসাব করে হয়তোবা তারা ওই কারেন্ট যে আপডেট, সেটা দিচ্ছে। আর ওটা উনার যে ধারণা, বাংলাদেশে ব্যান করে দিয়েছে কি না, সেটা সঠিক নয়।
স্টিল বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও কিন্তু সিমিলার প্রায়োরিটি ডেট। তারা কিন্তু শো করছে যে বর্তমানে ২০২৪ সালের তারা কিন্তু কাট অফ লাইন যেটা ফাইনাল অ্যাকশন ডেট এবং যেটা বললাম যে, ডকুমেন্ট কালেকশনের ডেট সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৫, যেটা যদি তাদের বুলেটিন আমরা ফলো করি, তাহলে কিন্তু হিসাব মতে অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের যেই আপনার কান্ট্রি যে ক্যাটাগরি যারা আবেদন করেছে, তাদের ভিসাগুলো কিন্তু অক্টোবরে দিয়ে দেওয়ার কথা। বিশেষ করে আমাদের যে দর্শক/ শ্রোতা, উনি যে প্রশ্ন করেছে যে, ২০১৯ সালের প্রায়োরিটি ডেট ব্যাকলগ। এদেরটা তো আরও অনেক আগেই হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তবে এটা কিন্তু বলা যেতে পারে যে, স্টেইট ডিপার্টমেন্টের একটা নেগলিজেন্স। তারা উনিশ সালের প্রায়োরিটি ডে ২২ সালে ডিউ নিয়ে বসে আছে। অথচ তারা কিন্তু বুলেটিন অ্যাডভান্স করেছে। এটা বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, ২০২৪ সালের যেই ফাইনাল অ্যাকশন ডেট। তো এ ক্ষেত্রে উনি চাইলে আপনার গভর্নমেন্টের অ্যাগেইনস্টে সু (মামলা) করতে পারে, অ্যাটর্নি জেনারেলের এগেইনস্টে যে, কেন এটা করা হচ্ছে না।
উনিশ সালের প্রায়োরিটি। এটা তো তোমাদের গাফিলতি। এটা গভর্নমেন্টের টোটালি একটা নেগলিজেন্স। সে ক্ষেত্রে ম্যান্ডামাস অপশন আছে।
ম্যান্ডামাস অপশনে কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়। তখন কিন্তু গভর্নমেন্ট নিজে একটা আপনার বিপদ অবস্থায় পড়ে যায়।
আমরা যখন এটা গভর্নমেন্টকে ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের সামনে তুলে ধরব যে, দেখো এই যে সিনারিও। উনিশ (সালেরটা) কেন তোমরা দিচ্ছো না? হোয়াট’স দ্য রিজন? তোমাদের বুলেটিনে শো করছে চব্বিশ সাল।
এটা তোমাদের পরিসংখ্যানই কন্ট্রাডিক্ট করছে তোমাদের কার্যক্রমের। সে ক্ষেত্রে উনি যদি ম্যান্ডামাসে স্টেপ নেয়, উনার ভাইদের কেসে হয়তোবা ইন্টারভিউয়ে আশার আলা দেখতে পারবে।
