অনেক বিনিয়োগকারী দীর্ঘদিন ধরে যে খবরের প্রতীক্ষায় ছিলেন, সেটি শনিবার জানিয়েছেন বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট।
বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের বার্ষিক শেয়ারহোল্ডার সভায় বাফেট জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদ ছাড়ছেন তিনি।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়ারেন বাফেটের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন গ্রেগ অ্যাবেল, যিনি বর্তমানে বার্কশায়ারের নন-ইনস্যুরেন্স কার্যক্রমের ভাইস চেয়ারম্যান।
অ্যাবেলকে ২০২১ সালেই বাফেটের উত্তরসূরি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল, তবে তিনি চেয়ারম্যান পদটি গ্রহণ করবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
৯৪ বছর বয়সী বাফেট বলেন, ‘বছরের শেষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়া উচিত গ্রেগের।’
এ ঘোষণায় উপস্থিত হাজারো শেয়ারহোল্ডার দাঁড়িয়ে দীর্ঘ করতালির মাধ্যমে বাফেটকে সম্মান জানান।
বাফেট জানান, তিনি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের একটি শেয়ার বিক্রি করবেন না।
পদত্যাগের বিষয়ে তিনি বলেন, তার সন্তানরা ছাড়া কেউই সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানত না।
বার্কশায়ারের যাত্রালগ্ন ১৯৬৫ সাল থেকে বহুজাতিক কোম্পানিটির সঙ্গে ছিলেন ওয়ারেন বাফেট।
শুল্ক নিয়ে মন্তব্য
সভায় বাফেট প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের শুল্কনীতি নিয়েও মুখ খোলেন।
‘বাণিজ্য কোনো অস্ত্র হওয়া উচিত নয়’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাণিজ্য কখনও যুদ্ধে পরিণত হতে পারে।
বাফেট আরও বলেন, ‘অ্যামেরিকা বিজয়ী হয়েছে। আমি মনে করি, ২৫০ বছর আগে শূন্য থেকে শুরু করে আমরা অবিশ্বাস্যভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশে পরিণত হয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘অ্যামেরিকাকে তার সেরা কাজটাই করা উচিত এবং তাদের (অন্য দেশ) উচিত তাদের সেরা কাজটা করা।’
ওই বক্তব্য দিয়ে উপস্থিত লোকজনের তালি কুড়িয়েছেন বাফেট।
বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন বলছে, কোম্পানির প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে শুল্ক।