বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশের ওপর প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপ নতুন নয়, কিন্তু এ নীতির বাইরে গিয়ে অন্য কারণে ট্রাম্প কর্তৃক উচ্চ শুল্ক আরোপ দেখা যায়নি। দক্ষিণ অ্যামেরিকার দেশ ব্রাজিলের ক্ষেত্রে সেটিই ঘটেছে বলে জানিয়েছে এনবিসি নিউজ।
সংবাদমাধ্যমটি শনিবার এক প্রতিবেদনে জানায়, অ্যামেরিকার কফির প্রায় এক-তৃতীয়াংশের জোগান দেয় ব্রাজিল। এটিসহ দেশটি থেকে আমদানীকৃত নানা পণ্যের পর শুক্রবার থেকে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারোর সঙ্গে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের কর্মকাণ্ডের কারণে।
দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ট্রাম্পের সাধারণ যুক্তি হলো নির্দিষ্ট একটি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি আছে অ্যামেরিকার। দেশটি অ্যামেরিকার কাছ থেকে বেশি সুবিধা নিচ্ছে। তার এ মতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন অনেক অর্থনীতিবিদ।
ব্রাজিলের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে বাণিজ্য ঘাটতিকে যুক্তি হিসেবে দেখাননি ট্রাম্প। কারণ এক দশকের বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের সঙ্গে শত শত কোটি ডলার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত আছে অ্যামেরিকার। তারপরও সবচেয়ে বেশি শুল্কের খড়্গ পড়ে লাতিন অ্যামেরিকার দেশটির ওপর।
এর আগে একই সপ্তাহে ম্যাগনিটস্কি আইনের আওতায় ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক আলেকজান্দ্রে ডি মোরায়েসের ওপর কঠিন নিষেধাজ্ঞা দেয় অ্যামেরিকা। রাশিয়ায় দুর্নীতির তদন্ত করা সের্গেই ম্যাগনিটস্কির কারাগারে মৃত্যুর পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মিত্রদের শাস্তি দিতে ম্যাগনিটস্কি আইন পাস করে অ্যামেরিকান কংগ্রেস।