ইসরায়েলের স্থল অভিযানে কাঁপল গাজা সিটি

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৬ ২০২৫, ১৮:৪১ হালনাগাদ: মার্চ ১৩ ২০২৬, ১৩:০৯

ইসরায়েলি বাহিনীর জায়গা খালি করার আদেশের পর মঙ্গলবার উত্তর গাজা ছেড়ে যান বাস্তুচ্যুত অনেক ফিলিস্তিনি। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলি বাহিনীর জায়গা খালি করার আদেশের পর মঙ্গলবার উত্তর গাজা ছেড়ে যান বাস্তুচ্যুত অনেক ফিলিস্তিনি। ছবি: রয়টার্স

  • 0

অভিযান শুরু করার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, এটি গাজা সিটিতে তাদের স্থল অভিযানের মূল ধাপ।

অব্যাহত আন্তর্জাতিক নিন্দা ও হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের পরিবারের সমালোচনা সত্ত্বেও গাজা সিটিতে তীব্র স্থল আক্রমণ শুরু করেছে ইসরায়েল।

গাজা শহরে মঙ্গলবার পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৪৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

অভিযান শুরু করার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, এটি গাজা সিটিতে তাদের স্থল অভিযানের মূল ধাপ।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজা সিটিকে হামাসের ‘শেষ প্রধান দুর্গ’ দাবি করেন এবং নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। তার এ পদক্ষেপে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।

গাজা সিটিকে কাঁপিয়ে তোলা এ স্থল অভিযান শুরুর ঘোষণা দেওয়ার পরই হাজার হাজার ফিলিস্তিনি উত্তর গাজা ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে উপকূলীয় সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়।

জাতিসংঘের অনুমান, অভিযানের আগে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার ফিলিস্তিনি উত্তর গাজা ছাড়তে বাধ্য হন। এর মধ্যে গত কয়েক দিনে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ গাজা সিটি ছেড়েছেন।

সাম্প্রতিক অভিযানের আগে গাজা সিটি অঞ্চলে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনি ছিলেন।

আল শিফা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গাজা সিটিতে সোমবার রাতভর এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৪৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন।

জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন এরই মধ্যে গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ এনেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে।

ইসরায়েলি সেনারা রাতারাতি গাজা সিটিতে অভিযান শুরু করে। তারা বলছে, এটি তাদের অভিযানের প্রধান ধাপ।

এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার দাবি করেন, গাজার সবচেয়ে বড় শহরে কয়েক হাজার হামাস যোদ্ধা অবস্থান করছেন।

তিনি বলেন, ‘গাজা সিটিতে মূল অভিযান গত রাত থেকেই শুরু হয়েছে। আমাদের ধারণা, এখানে দুই থেকে তিন হাজার সক্রিয় হামাস যোদ্ধা রয়েছেন।’