নিউ ইয়র্কের কর্নেল ইউনিভার্সিটিতে ২ বছর আগে এক নারী শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের অভিযোগে পুনরায় মামলা শুরু করেছেন স্টেইট প্রসিকিউটররা। একইসঙ্গে ওই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আদালতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
সংবাদমাধ্যম এপি নিউজ জানায়, ২০২৪ সালে কর্নেল ইউনিভার্সিটির একটি শিক্ষার্থী সংগঠনের সদস্যদের দ্বারা গণধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ তোলেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ বছর বয়সী এক নারী শিক্ষার্থী।
ওই সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম থেমে যায়। চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী মামলা করার পর পুনরায় তদন্ত শুরু হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ভুক্তভোগী সম্প্রতি অভিযোগে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন চি ফি’র সাত সদস্য তাকে কেটামিন দিয়ে অচেতন করে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ করেন। মামলায় অভিযুক্তদের একটি গ্রুপ চ্যাটের স্ক্রিনশট যুক্ত করেছেন ভুক্তভোগী, যেখানে অন্যদেরও যৌন নিপীড়নে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগের পর পূর্বে ওই ঘটনার ফৌজদারি তদন্ত কেন করা হয়নি-এমন প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগন।
তবে ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি হাউটেন জানিয়েছেন, ঘটনার পর ওই সময় জোরপূর্বক মাদক গ্রহনে বাধ্য করা এবং ধর্ষণ করার মতো কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি ভুক্তভোগী। অভিযোগটির তদন্ত পুনরায় শুরু করতেও পূর্বে কোনো আবেদন জানাননি ভুক্তভোগী।
হাউটেন সোমবার এক বক্তব্যে জানিয়েছেন, পূর্বে কেন তদন্তটি চালিয়ে নেওয়া হয়নি এ সংক্রান্ত তথ্য, প্রমাণ গ্র্যান্ড জুরির কাছে উপস্থাপন করবে আটর্নি অফিস।
এদিকে, অভিযোগটির পুনরায় তদন্ত শুরু হওয়ার ঘটনায় সমর্থন জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত সংগঠনটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তারা।