ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর স্ত্রী ব্রিজিতকে ট্রান্সজেন্ডার নারী বলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেন অ্যামেরিকার কট্টর ডানপন্থি ইনফ্লুয়েন্সার ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ক্যানডেইস ওয়েন্স।
এ ঘটনায় চলতি বছরের জুলাইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের তরফ থেকে মামলা করা হয় ক্যানডেইসের নামে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে যে, ব্রিজিত যে নারী, সেটি প্রমাণ করতে তিনি ও তার স্বামী মাখোঁ ‘ছবিবিষয়ক এবং বৈজ্ঞানিক তথ্যপ্রমাণ’ দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
এনডিটিভি জানায়, ব্রিজিতের জেন্ডার নিয়ে ক্যানডেইসের বারবার একই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রী এ ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন।
ক্যানডেইসের অভিযোগ, ফরাসি প্রেসিডেন্টের স্ত্রী পুরুষ হিসেবে জন্ম নেন। তার নাম ছিল জ্যাঁ-মিশেল থোনিও। নারীতে রূপান্তরিত হওয়ার আগে টিনএজার মাখোঁকে বিয়ে করেন তিনি।
এ বিষয়ে মাখোঁর আইনজীবী ও ল ফার্ম ক্লেয়ার লকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা টম ক্লেয়ার বিবিসির ‘ফেম আন্ডার ফায়ার’ পডকাস্টকে বলেন, ক্যানেডেইসের অভিযোগকে ‘অবিশ্বাস্য রকমের হতাশাজনক’ হিসেবে দেখেছেন ব্রিজিত। এসব অভিযোগের লক্ষ্য ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের দৃষ্টি অন্য দিকে সরানো।
আইনজীবী জানান, ব্রিজিতের জেন্ডারের বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের যে সাক্ষ্য আসবে, সেটি বৈজ্ঞানিক প্রকৃতির হবে।
সাক্ষ্যের প্রকৃত ধরন কেমন হবে, সে বিষয়ে কিছু জানাননি ক্লেয়ার, তবে তিনি বলেছেন, মাখোঁ ও তার স্ত্রী ‘সাধারণভাবে ও সুনির্দিষ্টভাবে’ ব্রিজিতের বিরুদ্ধে ওঠা ভুয়া অভিযোগ খণ্ডনের জন্য প্রস্তুত।