ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের যাত্রীবাহী বিমানে হামলার ঘটনায় এখনো হামলার উদ্দেশ্য জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বিমানের সহকারী পাইলট একাই হামলাটি চালিয়েছেন। ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। এদিকে, এই ঘটনায় ইউনাইটেড আরব আমিরাতেও তদন্ত শুরু হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, বুধবার দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের এফ যেড টেন সেভেন্টি থ্রি FZ1073 ফ্লাইটে সহকারী পাইলট ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত করেন। হামলার পর আহত ক্যাপ্টেন ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রীরা হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং বিমানে থাকা রিজার্ভ ক্রু বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করান। ওই সময় বিমানটিতে ১৭০ জনের বেশি মানুষ ছিলেন। ঘটনার সময় সৌদি আরবের আকাশসীমায় বিমানটি ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে প্রায় ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামলাকারীকে সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পরে তাকে ইউনাইটেড আরব আমিরাতে নেওয়া হবে বলে তিনি মনে করেন। হামলার পেছনে ইরানের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, জানতে চাইলে নেতানিয়াহু বলেন, এ বিষয়ে মন্তব্য করার সময় এখনো আসেনি এবং ইরানের কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকলে তদন্তে তা বেরিয়ে আসবে বলে জানান তিনি।
তবে ইসরায়েলের কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত ইরানের কোনো সম্পৃক্ততা শনাক্ত করেননি। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্টজ বলেছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী সহকারী পাইলট একাই বিমানটি বিধ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন।
এদিকে ইউনাইটেড আরব আমিরাত তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার পরিস্থিতি ও উদ্দেশ্য নির্ধারণের পাশাপাশি এটি কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত কি না এবং আগে থেকে পরিকল্পিত বা পরিচালিত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।