এবার অ্যামেরিকায় আসা ইন্দোনেশিয়ার মসলায় তেজস্ক্রিয়তা পেল এফডিএ

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৯ ২০২৫, ২০:৪০ হালনাগাদ: ফেব্রুয়ারি ২৬ ২০২৬, ৫:১১

ইন্দোনেশিয়া থেকে অ্যামেরিকায় আনা বিভিন্ন মসলা। ছবি: পিটি ন্যাচারাল জাভা স্পাইস

ইন্দোনেশিয়া থেকে অ্যামেরিকায় আনা বিভিন্ন মসলা। ছবি: পিটি ন্যাচারাল জাভা স্পাইস

  • 0

সিজিয়াম ১৩৭ এমন একটি দূষিত পদার্থ, যা সাধারণত পারমাণবিক বিস্ফোরণ কিংবা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ চলার সময় উদ্ভূত বর্জ্য পদার্থ হিসেবে মাটি, খাবার ও বাতাসে মিশে যায়।

ইন্দোনেশিয়া থেকে অ্যামেরিকায় আসা চিংড়ির পর এবার মসলায় তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এফডিএ।

আইউইটনেস নিউজ জানায়, ইন্দোনেশিয়া থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায় আসা লবঙ্গের চালানে তেজস্ক্রিয় পদার্থ সিজিয়াম ১৩৭ শনাক্ত করার পর যাবতীয় মসলা আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির মসলা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান পিটি ন্যাচারাল জাভা স্পাইসের অন্যান্য পণ্যেও তেজস্ক্রিয় পদার্থ থাকতে পারে বলে মনে করছে এফডিএ। ফলে গত সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে সব ধরনের মসলা আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ফেডারেল সংস্থা এফডিএ।

আইউইটনেস নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অ্যামেরিকায় পণ্য রপ্তানি করা ইন্দোনেশিয়ার এ প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন দেশে নিয়মিত মসলা পাঠায়। চলতি বছর শুধু অ্যামেরিকাতেই ৪ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড মসলা রপ্তানি করেছে তারা।

এর আগে ইন্দোনেশিয়ার চিংড়ি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান পিটি বাহারি মাকমুর সেজাতি থেকে পাঠানো চিংড়ির কন্টেইনারে একই তেজস্ক্রিয় পদার্থ শনাক্ত করে এফডিএ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে চিংড়ি আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়।

এফডিএ জানায়, বারবার ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন খাবারে পাওয়া এ তেজস্ক্রিয় পদার্থের উৎস কী, এ বিষয়ে তারা নিশ্চিত নয়। এ নিয়ে চলছে তদন্ত।

সিজিয়াম ১৩৭ এমন একটি দূষিত পদার্থ, যা সাধারণত পারমাণবিক বিস্ফোরণ কিংবা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ চলার সময় উদ্ভূত বর্জ্য পদার্থ হিসেবে মাটি, খাবার ও বাতাসে মিশে যায়।

ইন্দোনেশিয়ার পারমাণু নিয়ন্ত্রকরা জানান, তারা খাদ্য প্রস্তুতকারী কারখানার আশপাশে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ খুঁজে পেয়েছেন।