Skip to main content

হরমুজ অবরোধে অ্যামেরিকার পাশে নেই বৃটেইন: স্টারমার

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৩ ২০২৬, ১৫:৩৮

হরমুজ অবরোধে অ্যামেরিকার পাশে নেই বৃটেইন: স্টারমার
  • 0

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ— যেখানে দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছায়। ফলে এই পথ অবরুদ্ধ হলে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বিরুদ্ধে অ্যামেরিকার অবরোধে সমর্থন দিচ্ছে না বৃটেইন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এই সামরিক পদক্ষেপে অ্যামেরিকারে পক্ষে অবস্থান নেবে না তারা।

সোমবার এক সাক্ষাৎকারে স্টারমার বলেন, বৃটেইন এই অবরোধে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে না এবং পরিস্থিতি ঘিরে কূটনৈতিক সমাধানের ওপরই জোর দিচ্ছে। তার এই অবস্থান অ্যামেরিকার ঘোষিত পদক্ষেপ থেকে ইউরোপিয়ান মিত্রদের দূরত্বকেই স্পষ্ট করে তুলেছে।

অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করতে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। এই পদক্ষেপকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে দেখানো হলেও, এটি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ— যেখানে দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছায়। ফলে এই পথ অবরুদ্ধ হলে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।

ইতোমধ্যে ইউরোপের অন্য দেশগুলোর মধ্যেও এই পদক্ষেপ নিয়ে দ্বিধা দেখা গেছে। স্পেনসহ কয়েকটি দেশ এই অবরোধ পরিকল্পনার সমালোচনা করেছে এবং এটিকে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অবরোধ কার্যকর হলে তা শুধু ইরান নয় বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করবে। এই অবস্থান এমন এক সময় এসেছে, যখন অ্যামেরিকা–ইরান উত্তেজনা চরমে এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা এখনো অচলাবস্থায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বৃটেইনের এই অবস্থান পশ্চিমা জোটের মধ্যে ভিন্নমতকে সামনে এনেছে।
একদিকে অ্যামেরিকা সামরিক চাপ বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে ইউরোপ কূটনৈতিক পথেই সমাধান খুঁজতে চাইছে।