মেধাবী ভারতীয়দের মাধ্যমে অ্যামেরিকা ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ধনকুবের ইলন মাস্ক।
ভারতের বেঙ্গালুরুভিত্তিক ব্রোকারেজ ও আর্থিক সেবাদাতা কোম্পানি জেরোধার সহপ্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাথের ‘পিপল বাই ডব্লিউটিএফ’ নামের পডকাস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মাস্কের মতে, এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচি এবং বিগত সরকারের সময়কার সবার জন্য উন্মুক্ত নীতির ‘অপব্যবহার’ অ্যামেরিকার তথাকথিত কিছু অভিবাসনবিরোধী নীতিকে উসকে দিয়েছে।
ইলন মাস্ক এমন সময়ে মন্তব্যটি করলেন, যখন অ্যামেরিকার ভিসা কড়াকড়ির কারণে হাজারো ভারতীয় নাগরিকের বিশ্বমানের শিক্ষাগ্রহণ, আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়া ও উন্নত জীবনের স্বপ্ন ফিকে হয় গেছে।
অ্যামেরিকানদের চাকরি অন্যরা নিয়ে নিচ্ছেন বলে যে অভিযোগ পাওয়া যায়, তা নিয়ে ইলন মাস্ক বলেন, ‘আমি জানে না, আসলে এটা কতটা বাস্তব। আমার সরাসরি পর্যবেক্ষণ হলো মেধাবী লোকজনের স্বল্পতা সবসসময়ই থাকে।’
তার মতে, অ্যামেরিকা আরও মেধাবী লোকজন পেলে, তা হবে দেশটির জন্য কল্যাণকর।
কিছু কোম্পানি এইচ-১বি ভিসার অপব্যবহার করলেও এ কর্মসূচি বন্ধ করা উচিত হবে না বলে মত দেন ইলন মাস্ক।
তার ভাষ্য, ‘আমি মনে করি, এইচ-১বি কর্মসূচির কিছু অপব্যবহার হযেছে।’
তিনি বলেন, কিছু আউটসোর্সিং কোম্পানি এ ভিসা কর্মসূচিকে নিজেদের মতো ব্যবহার করেছে। এটি বন্ধ হওয়া দরকার, তবে এইচ-১বি ভিসা বন্ধ হওয়ার পক্ষে তিনি নন।
এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে কয়েক দশক ধরে ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানীদের মতো গুরুত্বপূর্ণে পেশাজীবীদের নিয়োগ দিয়েছে অ্যামেরিকান কোম্পানিগুলো, তবে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এ ভিসা প্রদানের ওপর ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করেন।
তিনি ভিসা আবেদনের ফি বাড়িয়ে এক লাখ ডলারে উন্নীত করেন। যদিও ইতোপূর্বে আবেদনকারীদের নবায়নের ক্ষেত্রে এ ফি প্রযোজ্য হবে না।