পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক ১৯৭১ সালে ঘটে যাওয়া বাংলাদেশের গণহত্যাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি প্রস্তাব কংগ্রেস অধিবেশনে উত্থাপন হয়েছে। পাশপাশি জামায়াতে ইসলামীসহ গণহত্যায় সহযোগী দলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা ও কংগ্রেস প্রতিনিধি গ্রেগ ল্যান্ডসম্যান শুক্রবার এক অধিবেশনে এ প্রস্তাব জানান।
প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী মিলিশিয়াদের সংঘটিত নৃশংসতা বিশেষ করে অপারেশন সার্চলাইট অভিযান,গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া উচিত। সেই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীসহ সহায়তাকারী সংঘের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও করা হয়েছে।
ল্যান্ডসম্যান বলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ঘটনাগুলো ছিল সন্ত্রাসদের পরিকল্পিত ধারাবাহিক অভিযান, যা অ্যামেরিকার সংজ্ঞা অনুযায়ী গণহত্যার মধ্যে পড়ে।‘
ল্যান্ডসম্যানের প্রস্তাবের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে আছে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী মিলিশিয়াদের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানানো, বাঙালি হিন্দুদের ওপর লক্ষ্যভিত্তিক নির্যাতনকে স্বীকৃতি দেওয়া, কোনো জাতি বা ধর্মীয় গোষ্ঠীর ওপর সামষ্টিক দায় চাপানো প্রত্যাখ্যান করা ও অ্যামেরিকার আনুষ্ঠানিকভাবে গণহত্যা স্বীকৃতির আহ্বান।
অ্যামেরিকা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে স্বীকৃতি দেয়নি। প্রস্তাবকেরা বলছেন, এই স্বীকৃতি নৈতিক ও নীতিগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।