কোনো কাজে অ্যামেরিকায় বাইরে গিয়ে ফেরার পথে বিমানবন্দরে ঝামেলার সম্মুখীন হন কেউ কেউ। কাউকে কাউকে সংক্ষিপ্ত বা দীর্ঘ সময় আটকও হতে হয়েছে।
এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে করণীয় কী, তা টিবিএন অ্যানালাইসিসের সঞ্চালক রানা আহমেদের করা একটি প্রশ্নের মধ্যে সম্পূরক তথ্য হিসেবে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি ইসরাত সামী।
প্রশ্ন ও উত্তরের অংশটি তুলে ধরা হলো টিবিএনের পাঠকদের জন্য।
টিবিএন: ২০২৫-এর অক্টোবর মাসে যে ভিসা বুলেটিনটা বেরিয়েছে, এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি ইমিগ্রেশনের যে বিভিন্ন ক্যাটাগরি যেগুলো আছে এফ-১ এফ-২ এফ-২বি, এফ-৩, এফ-৪, এগুলোর মধ্যে কোনটা কতটা এগিয়েছে, আপনি যদি একটু বিস্তারিতভাবে বলেন, তাহলে যারা এই যে দীর্ঘদিন ধরে আবেদন করে অপেক্ষা করছেন, আমার ইন্টারভিউ কবে আসবে, এ রকম চিন্তা, তারা একটু আপনার মুখ থেকে শুনে কিছুটা হলেও আশার আলো দেখতে পারে।
ইসরাত সামী: আরেকটা জিনিস রানা ভাই, আমি যেটা আপনাকে ফোকাস করতে চাই যে, যারা আমরা ট্রাভেল করছি, ট্রাভেলিংয়ে এন্টার করার সময় আমার ইউএসএতে সিটিজেন অথবা গ্রিন কার্ড হোল্ডার বোথের (উভয়) অনেক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টের কাছে। আপনাদের যদি প্রিভিয়াস কোনো প্রবলেম থেকে থাকে, যেমন: আপনার হয়তো দুইটা নাম ছিল আগে কখনও অথবা ডেট অব বার্থে কোনো সমস্যা ছিল অথবা মা-বাবার নামে কোনো সমস্যা ছিল অথবা কোনো ক্রিমিনাল কেইসে আপনি গিল্টি ছিলেন অথবা আপনি অ্যারেস্ট হয়েছিলেন এবং আপনি যদি ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সেও অ্যারেস্ট হন, দিস আর অলসো ইস্যু আপনার এন্ট্রির সময়।
এই জন্য যারা ট্রাভেল করবেন, মেক যে আপনার প্রিভিয়াস কোনো সমস্যা থাকলে সেটা কী সমাধান হয়েছে কি না, অথরিটির কাছে ক্লিয়ারেন্স যেগুলো নিতে হয়, সেই ক্লিয়ারেন্সগুলো নিয়ে সাথে রাখা এবং আপনার আপনার যদি কোনো, ফর এক্সাম্পল, আপনার একটা লং টাইমের জন্য আপনার যেতে হচ্ছে সামহোয়ার।
তো আপনি যখন ব্যাক করবেন আপনার তখন প্রমাণ করতে হবে যে, এখানকার যে ডকুমেন্টেশনগুলো আপনার রেসিডেন্সি প্রুভ করে, সেগুলো আপনার সাথে আছে কি না। না হলে আপনাকে খামোখা হয়রানির শিকার হতে হবে।
ওখানে শর্ট ডিটেনশন সেভেন, এইট আওয়ার্স হতে পারে। আপনার সেই ভোগান্তি অ্যাভয়েড করার জন্য যেই জিনিসগুলো আপনার নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন, সেগুলো আপনি সাথে রাখবেন। আর যদি আপনার জানা না থাকে, আপনি ট্রাভেল করবেন, তাহলে আপনি একজন প্রফেশনালের কাছে যেয়ে অ্যাডভাইস নিবেন।