ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলমান ভোট প্রদান আয়োজনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ এবং প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কেন্দ্র দখল আর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েক জায়গায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ভোটের শুরুটা শান্তিপূর্ণ হলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে বেশ কিছু এলাকায় উত্তপ্ত হয়ে ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের পরিবেশ।
মুন্সিগঞ্জের সদর, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ও কুমিল্লায় ককটেলের মুহুর্মুহু শব্দ মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে। তবে বড় কোনো সংঘর্ষ না হলেও ককটেল বিস্ফোরণ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় সারাদেশে কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন।
এরমধ্যে মেহেরপুরে ভোটারদের বাধা দেয়া নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষে অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন।
গোপালগঞ্জ, ভোলা ও কুমিল্লায় ককটেল বিস্ফোরণের পর আতঙ্কে পালাতে গিয়ে এক কিশোরী ও আনসার সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
খুলনায় বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের ধস্তাধস্তিতে স্থানীয় এক বিএনপির নেতার মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে চিকিৎসাসূত্র জানিয়েছে, বিএনপি নেতা মহিবুজ্জামান কচির শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের নিবিড় পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ সদস্য ছিলেন কঠোর পাহারায়।