Skip to main content

ইরানের হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার ঘোষণায় তেলের দাম ১৩ শতাংশ কমেছে

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭ ২০২৬, ১৬:১২

ইরানের হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার ঘোষণায় তেলের দাম ১৩ শতাংশ কমেছে
  • 0

ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১২.৮৭ ডলার বা ১২.৯৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৬.৫২ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিএ তেলের দাম ১৩.৫০ ডলার বা ১৪.২৬ শতাংশ কমে ৮১.১৯ ডলারে দাঁড়ায়। উভয় সূচকই মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম শুক্রবার প্রায় ১৩ শতাংশ কমে যায়, যখন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান ভবিষ্যতে আর কখনো এই প্রণালি বন্ধ না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১২.৮৭ ডলার বা ১২.৯৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৬.৫২ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিএ তেলের দাম ১৩.৫০ ডলার বা ১৪.২৬ শতাংশ কমে ৮১.১৯ ডলারে দাঁড়ায়। উভয় সূচকই মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, লেবাননে যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত দেয়। তবে তারা সতর্ক করেছেন, বাস্তবে জাহাজ চলাচল কতটা বাড়ে সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

একই সময়ে অ্যামেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় অগ্রগতির খবর পাওয়া গেছে। তিন পাতার একটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে, যা যুদ্ধের অবসানের পথ খুলে দিতে পারে।

এছাড়া সপ্তাহান্তে নতুন করে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা এবং ইসরায়েল-লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে।

ট্রাম্প বলেন, ইরান ২০ বছরের বেশি সময় পারমাণবিক অস্ত্র না রাখার প্রস্তাব দিয়েছে এবং তিনি মনে করেন, এ বিষয়ে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি।

তবে একই সময়ে অ্যামেরিকার এক কর্মকর্তা জানান, ১০ হাজারের বেশি সদস্য নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অবরোধ এখনো কার্যকর রয়েছে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, যদিও প্রণালী খুলে দেওয়া ইতিবাচক, তবুও ইউরোপিয়ান বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। কারণ উপসাগর থেকে ইউরোপে তেল পৌঁছাতে প্রায় ২১ দিন সময় লাগে।

এছাড়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে সমঝোতা না হলে হরমুজ প্রণালি আবারও অচল হয়ে যেতে পারে।