Skip to main content

ভেনেজুয়েলার লাখো অভিবাসীকে বিতাড়নে ট্রাম্পের সামনের বাধা সরাল আদালত

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩ ২০২৫, ২৩:২০

অ্যামেরিকা থেকে বিতাড়নের পর গুয়ানতানামো বে থেকে হন্ডুরাস হয়ে ভেনেজুয়েলার সাইমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি অবতরণ করা অভিবাসীরা উঠছেন মই বেয়ে। ছবি: রয়টার্স

অ্যামেরিকা থেকে বিতাড়নের পর গুয়ানতানামো বে থেকে হন্ডুরাস হয়ে ভেনেজুয়েলার সাইমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি অবতরণ করা অভিবাসীরা উঠছেন মই বেয়ে। ছবি: রয়টার্স

  • 0

সুপ্রিম কোর্টের ৯ বিচারকের মধ্যে রক্ষণশীল ৯ জন। বাকি তিনজন আদেশের বিষয়ে ভিন্ন মত দিয়েছেন।

অ্যামেরিকায় থাকা ভেনেজুয়েলার লাখো অভিবাসীর অস্থায়ী আইনি সুরক্ষা কেড়ে নিতে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পথ শুক্রবার আরও একবার পরিষ্কার করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

এর মধ্য দিয়ে আদালতের সমর্থন পেল ট্রাম্পের গণবিতাড়ন নীতি।

রয়টার্স জানায়, ট্রাম্পের পূর্বসুরি জো বাইডেনের আমলে টেম্পোরারি প্রটেকটেড স্ট্যাটাস বা টিপিএস পাওয়া অভিবাসীদের কাছ থেকে মামলা চলাকালে এ সুরক্ষা কেড়ে নেওয়ার এখতিয়ার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোমের নেই বলে আদেশ দিয়েছিলেন এক বিচারক। এ আদেশ স্থগিত রাখতে ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন গ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা।

সুপ্রিম কোর্টের ৯ বিচারকের মধ্যে রক্ষণশীল ছয়জন। বাকি তিনজন আদেশের বিষয়ে ভিন্ন মত দিয়েছেন।

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে অ্যামেরিকার চাপা উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে আদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

অ্যামেরিকার আইন অনুযায়ী, যুদ্ধবিধ্বস্ত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা বিপর্যয়ের শিকার দেশগুলোর বাসিন্দাদের টিপিএসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ কর্মসূচির সুফলভোগীরা বিতাড়ন থেকে সুরক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি অ্যামেরিকায় থেকে কাজ করতে পারেন।

সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক ইউএস ডিস্ট্রিক্ট জাজ এডওয়ার্ড চেন চলতি বছরের মে মাসে মামলার শুরুতে একটি আদেশ দিয়েছিলেন।

সে আদেশে বলা হয়েছিল, টিপিএসের সুফলভাগী ও অধিকার সুরক্ষা সংগঠনের আইনি চ্যালেঞ্জ চলাকালে টিপিএস বাতিল বন্ধ রাখতে হবে। সাময়িক সে আদেশ তুলে নিতে ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদনে সায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।