চায়না রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অ্যামেরিকা চায়নার সঙ্গে শুল্কসংক্রান্ত আলোচনায় বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর শুল্ক নীতির ফলে আন্তর্জাতিক বাজার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে যে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে, তা প্রশমনে ওয়াশিংটন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায় বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, 'আলোচনার দৃষ্টিকোণ থেকে অ্যামেরিকাই এখন বেশি উদ্বিগ্ন পক্ষ। ট্রাম্প প্রশাসন বহুমুখী চাপের মুখে রয়েছে।'
চায়নার ওপর অ্যামেরিকার নতুন ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে, যার প্রতিক্রিয়ায় বেইজিংও বেশ কিছু অ্যামেরিকান পণ্যে ১২৫ শতাংশ পর্যন্ত পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে।
যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, চায়না আলোচনার জন্য তার কাছে পৌঁছেছে—চায়না এই দাবি জোরালোভাবে অস্বীকার করে আসছে।
তবে এবার চায়না সূত্রভিত্তিক সংবাদ মাধ্যমে বলা হলো, অ্যামেরিকা নিজেই উদ্যোগ নিচ্ছে।
চায়নার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বহুবার অ্যামেরিকাকে ‘ন্যায়সঙ্গত, সম্মানজনক ও পারস্পরিক সুবিধাজনক’ আলোচনার আহ্বান জানালেও, এক ভিডিও বার্তায় সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ‘লড়াই দরকার হলে শেষ পর্যন্ত লড়বে, কখনো নতি স্বীকার করব না।’
চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই খবর এমন এক সময় এলো, যখন অ্যামেরিকান অর্থনীতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে সংকুচিত হয়েছে এবং ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং পর্যন্ত উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।