এদিকে একাধিক ফেসবুক ভিডিও ও পোস্টে রনির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা দাবি করা হলেও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য বা বিবৃতি এখনও প্রকাশ পায়নি।
২০২৪ সালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত আন্দোলন কর্মসূচি চলাকালে বিকেলে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়া ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর প্রথম দফায় পুলিশ অভিযান চালায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। পরে সন্ধ্যায় শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন ছাত্র-জনতা আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা। এই আন্দোলনে পরে সংহতি প্রকাশ করেন ডাকসু নেতারাও।
অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করলে মহিউদ্দিন রনি সামনে এগিয়ে এসে তাদের রক্ষার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি পুলিশ সদস্যদের কাছে আন্দোলনকারীদের ওপর আঘাতের কারণ জানতে চায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় পুলিশ রনির উপর লাঠিচার্জ করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে একজন পুলিশ সদস্য এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাহবাগ এলাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং আন্দোলনকারীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।