নিজের প্রিন্স খেতাব হারাচ্ছেন ব্রিটেনের রাজপরিবারের সদস্য ও প্রয়াত রাণী এলিজাবেথের (২) ছোট ছেলে অ্যান্ড্রু। পাশাপাশি রাজকীয় বাসভবন উইন্ডসর ক্যাসেলের রয়্যাল লজ থেকেও বিতাড়িত করা হবে তাকে।
আইউইটনেস নিউজ জানায়, প্রয়াত অ্যামেরিকান শিশু যৌন নীপিড়ক ও নারী পাচারকারী জেফরি এপস্টিনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগের জেরে এ শাস্তি পেতে যাচ্ছেন অ্যান্ড্রু।
ব্রিটেনের বাকিংহাম প্যালেস কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার জানায়, অ্যান্ড্রুর বড় ভাই ও রাজা তৃতীয় চার্লস তার পদবী, রাজকীয় সম্মান প্রত্যাহার করতে পদক্ষেপ নিয়েছেন।
রাজপ্রসাদ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রিন্স অ্যান্ড্রু এখন থেকে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন উইন্ডসর নামে পরিচিত হবেন।
‘রয়্যাল লজে তার সত্ত্ব এতদিন তাকে সেখানে বসবাসের জন্য আইনি সুরক্ষা দিয়েছিল। এখন তাকে সত্ত্ব সমর্পণের জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়েছে এবং তাকে অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত করা হবে।’
এপস্টিনের অপকর্মের শিকার প্রয়াত ভুক্তভোগী ভার্জিনিয়া জিউফ্রের এক বক্তব্যের পর সবচেয়ে বেশি সমালোচনার শিকার হতে শুরু করেন অ্যান্ড্রু।
জিউফ্রে তার আত্মজীবনিমূলক ‘নো বডি’স গার্ল’ বইয়ে উল্লেখ করেন, কৈশোরে তাকে অ্যান্ড্রুর কাছে পাচার করেছিলেন এপস্টিন। অ্যান্ড্রুর কাছে তিনবার যৌন নির্যাতন শিকার হন তিনি।
এ অভিযোগে তীব্র সমালোচনার পর অ্যান্ড্রু গত মাসে নিজের ‘ডিউক অব ইয়র্ক’ পদবী ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন নিজেই।
সম্প্রতি ২১ অক্টোবর জিউফ্রের বইটি প্রকাশিত হলে সমালোচনা তুঙ্গে ওঠে।
এমন অবস্থায় তার প্রিন্স উপাধি প্রত্যাহারের নির্দেশ আসে।