ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার ওপর অ্যামেরিকার হামলার বিষয়ে দুই সপ্তাহ সময় নেয়ার কথা বলেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তার আগেই ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল।
গতকাল শনিবার রাতে ইরানের ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পহান—এই তিন পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে জড়িয়েছে অ্যামেরিকা।
অ্যামেরিকার এই প্রতিক্রিয়ায় ইরান কী করতে পারে, এ প্রশ্নের জবাব খোঁজার চেষ্টা করেছেন সান ফ্রান্সিসকো ইউনিভার্সিটির মিডেল ইস্টার্ন স্টাডিজের ডিরেক্টর স্টিফেন জুনেস। তিনি ইরানে অ্যামেরিকার হামলার পর দেশটির সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন।
তার মতে, ইরানের হাতে বেশ কয়েকটি বিকল্প আছে। ইরান সরাসরি অ্যামেরিকার সামরিক বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে পারে। এতে শুধু ক্ষেপণাস্ত্র নয়, ড্রোন ও অন্যান্য ভারী অস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে রয়েছে ৪০ হাজার অ্যামেরিকান সেনা।
জুনেস আশঙ্কা করছেন, ইরান পার্সিয়ান গালফের উপকূলে ইরানের নৌবহর রয়েছে। আক্রমণ করলে তারাও অরক্ষিত হতে পারে। এতে বিশ্বব্যাপী শিপিংকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে তেলের দাম বৃদ্ধি পাবে যা প্রকৃতপক্ষে পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি বলেন, ইরাকে প্রক্সি মিলিশিয়া বাহিনী রয়েছে যারা সেখানে অ্যামেরিকান ঘাঁটিতে হামলা চালাতে পারে।
সুতরাং অ্যামেরিকান বাহিনীর নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে এমন অনেকগুলো বিকল্প রয়েছে ইরানের হাতে। তাই ইরানিরা কয়েকটি অ্যামেরিকান ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু না করলে বিষয়টি অবাক করার মতোই হবে বলে মনে করছেন জুনেস।