স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে তারই কবরের পাশে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়।
ওই সময় তার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পরিবারের সদস্য এবং বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিকাল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও প্লাজা-সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
ওই সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরাও।
জানাজায় তারেক রহমান, তার পরিবার ও স্বজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্যমণ্ডলীসহ বিএনপির শীর্ষ ও তৃণমূলের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, এনসিপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং নানা শ্রেণি-পেশার সর্বস্তরের মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান হিসেবে বলছি, এখানে যারা উপস্থিত আছেন, আমার মা জীবিত থাকা অবস্থায় আপনাদের কারও কাছ থেকে যদি কোনো ঋণ নিয়ে থাকেন, দয়া করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি সেটি পরিশোধের ব্যবস্থা করব।’