নির্বাচন ঘিরে বিলিয়ন বিলিয়ন অর্থ ব্যয়, যোগান দিলেন কারা?
- 0


প্রকাশিত: নভেম্বর ৩ ২০২৬, ১৮:২৭ হালনাগাদ: নভেম্বর ৩ ২০২৬, ১৮:২৭
.jpg&w=3840&q=75)
চলমান আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে মোট খরচ এবার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। নির্বাচনী অর্থায়ন নিয়ে কাজ করা স্বাধীন সংস্থা ওপেন সিক্রেটের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনটির মোট ব্যয় প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে রেকর্ড গড়েছে।
সংস্থাটির বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, বড় পরিসরে এই ব্যয়ের বেশিরভাগ অংশই বহন করেছে রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে বিভিন্ন সুপার অ্যাকশন পলিটিক্যাল কমিটি। এ কমিটির মধ্যে আছে ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থা। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি আসনে নির্দিষ্ট দল ও প্রার্থীকে জয়ী করতে এই ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
অর্থের যোগান দিয়েছেন কারা
এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছেন স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক। রিপাবলিকান পার্টিকে বিজয়ী করতে প্রায় ৫০ কোটি ডলার ব্যয় করেছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এ মিত্র। মাস্কের অর্থায়নের বড় অংশ ব্যয় হচ্ছে টেক্সাসের সেনেট নির্বাচনে। সেখানে রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
একইসঙ্গে নির্বাচনী অর্থায়ন নিয়ে কাজ করা গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারে ২৪০ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছেন শীর্ষ ৪০জন দাতা। মধ্যবর্তী নির্বাচনে এখন পর্যন্ত এটিই সর্বোচ্চ অনুদান পাওয়ার রেকর্ড।
ব্যক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও নিজ সমর্থিত দল ও প্রার্থীদের বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছে। ধনকুবের জর্জ সোরোস প্রতিষ্ঠিত জিওসোর করপোরেশন ও ফান্ড ফর পলিসি রিফর্ম যৌথভাবে উদারপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে ১০২ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। এ ছাড়া ডেমোক্র্যাটদের অন্যতম বড় দাতা নিউইয়র্ক শহরের সাবেক মেয়র ও ব্যবসায়ী মাইকেল ব্লুমবার্গ দিয়েছেন ৬ কোটি ডলারের বেশি।
অন্যদিকে রিপাবলিকানপন্থী বিভিন্ন উদ্যোগে ১০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ দিয়েছেন ধনকুবের জেফ ইয়াস এবং রিচার্ড ও এলিজাবেথ উলেইন।
এবারের নির্বাচনে ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থায়নও উল্লেখযোগ্য। ওপেন সিক্রেটসের ব্রেন্ডন জে গ্লাভিনের তথ্য অনুযায়ী, ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠান রিপল ও কয়েনবেস যৌথভাবে ৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার দিয়েছে। রিপাবালিকান পার্টির মাধ্যমে ক্রিপ্টো খাতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরতে এই অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে।
