Skip to main content

ময়নাতদন্তকারীর তথ্য
মস্তিষ্কের রোগ ছিল নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তা হত্যাকারীর

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৭ ২০২৫, ০:৩৩ হালনাগাদ: এপ্রিল ১ ২০২৬, ১১:১৫

গুলিতে নিহত বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ও তাকে হত্যাকারী শেন ট্যামুরা। ছবি: টিবিএনের ফাইল ও রয়টার্স

গুলিতে নিহত বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ও তাকে হত্যাকারী শেন ট্যামুরা। ছবি: টিবিএনের ফাইল ও রয়টার্স

  • 0

গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটনের একটি বহুতল ভবনে উঠে এলোপাতাড়ি গুলি চালান ট্যামুরা।

ম্যানহাটনে বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামসহ চারজনকে হত্যাকারী শেন ট্যামুরা জটিল মস্তিষ্কের রোগ ক্রনিক ট্রম্যাটিক এনসেফেলোপ্যাথি-সিটিএতে আক্রান্ত ছিলেন বলে শুক্রবার জানিয়েছে তার ময়নাতদন্ত করা নিউ ইয়র্ক সিটি অফিস অব দ্য চিফ মেডিক্যাল এক্সামিনার।

ন্যাশনাল ফুটবল লিগ-এনএফএলের সদরদপ্তর থাকা ভবনে গত ২৮ জুলাই প্রাণঘাতী বন্দুক হামলা চালান ট্যামুরা। চারটি প্রাণ কেড়ে নেওয়া এ ব্যক্তি নিহত হন নিজের গুলিতে।

আইউইটনেস নিউজ জানায়, হামলার দিন ট্যামুরার পকেটে পুলিশ তিন পৃষ্ঠার একটি চিরকুট খুঁজে পায়। এতে লেখা ছিল, ট্যামুরার মস্তিষ্কে বড় ধরনের আঘাত রয়েছে।

এ আঘাতের জন্য এনএফএলকে দায়ী করে ট্যামুরা চিরকুটে লিখেছিলেন, খেলোয়াড়দের মস্তিষ্কের বড় ধরনের ক্ষতিগুলোর কথা গোপন করে তারা শুধু মুনাফা লাভ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও লিখেন, ‘আমার মস্তিষ্ক সম্পর্কে জানার চেষ্টা করো। আমি দুঃখিত।’

ট্যামুরার চিরকুটের ওপর ভিত্তি করে তার মস্তিষ্কের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান ময়নাতদন্তকারীরা। পরীক্ষায় ট্যামুরার মস্তিষ্কের কিছু অংশের টিস্যুতে সিটিএর লক্ষণ খুঁজে পান তারা।

গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটনের একটি বহুতল ভবনে উঠে এলোপাতাড়ি গুলি চালান ট্যামুরা।

তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, সরাসরি এনএফএলের ভবনে হামলা করার ইচ্ছা ছিল ট্যামুরার, কিন্তু ভুল লিফটে ওঠার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাস্থলে তার এলোপাতাড়ি গুলিতে দায়িত্বকালে প্রাণ হারান বাংলাদেশি অভিবাসী নিউ ইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট-এনওয়াইপিডির সদস্য দিদারুল ইসলাম। এ ছাড়া ভবনের নিরাপত্তারক্ষী অ্যালান্ড এটিয়েন এবং দুই নারী জুলিয়া হাইমেন ও রুডিন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।