থ্যাংকসগিভিং ডের ছুটির মধ্যে বৈরি আবহাওয়ার কারণে দেশজুড়ে ভ্রমণ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে আবার মিডওয়েস্টে ভারি তুষারপাত ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।
এর বাইরে মিশিগান ও নিউ ইয়র্কের কিছু অংশে অতিরিক্ত তুষার জমতে পারে।
এদিকে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাত, বন্যা ও বিচ্ছিন্ন বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এতে করে অনেকের বিমান ও সড়ক পথের যাত্রা বিলম্ব বা বাতিল হতে পারে। ফলে ভ্রমণকারীদের সতর্ক থাকতে ও সময় হাতে নিয়ে বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
থ্যাংকসগিভিংয়ের ছুটির মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈরি আবহাওয়ার কবলে পড়তে চলেছে কয়েক মিলিয়ন মানুষ। সেই সঙ্গে তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনাও মারাত্মকভাবে ব্োহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে ঝোড়ো পরিস্থিতির কারণে তীব্র ভোগান্তিতে পড়তে পারেন ভ্রমণকারীরা। এরই মধ্যে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ঝড়ের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে।
টেক্সাসের হিউস্টন শহরতলীর স্প্রিং এলাকায় শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে শত শত ঘরবাড়ি ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে স্বস্তির খবর হলো কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কারের কাজ চলছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা ও রাস্তা থেকে উপরে পড়া গাছ সরানোর জন্য এক নাগাড়ে কাজ করে যাচ্ছেন জরুরি পরিষেবার কর্মীরা।
অন্যদিকে বৈরি আবহাওয়ার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে আপার মিডওয়েস্ট ও গ্রেট লেকস অঞ্চলে।
নর্থ ডেকোটা, মিসেসোটা ও উইসকনসিনের মতো স্টেইটগুলোতে ভারি তুষারপাত ও ঘণ্টায় প্রায় ৪০ মাইল বেগে দমকা বাতাসসহ তুষারঝড়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এমন বাস্তবতায় এসব এলাকায় বিমান ও সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলেও প্রবল বৃষ্টি, বন্যা ও বিচ্ছিন্ন বজ্রঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
অ্যালাবামা ও মিসিসিপির কিছু অঞ্চলে টর্নেডোর আশঙ্কা রয়েছে।
মিড আটলান্টিক এবং উত্তরপূর্বাঞ্চলে বৃষ্টির কারণে ফ্লাইট ও সড়কপথে ভোগান্তির ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
ভ্রমণকারীদের সর্বশেষ আবহাওয়ার তথ্য যাচাই এবং হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে যাত্রা শুরু করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।