Skip to main content

দ্বিতীয় দিনে লং আইল্যান্ড রেল রোড শ্রমিক ধর্মঘট, অচলাবস্থা ফেরাতে নেই উদ্যোগ

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ১৭ ২০২৬, ১৪:০৬

শনইবার রেল বিভাগটিতে কর্মরত প্রায় ৩৫০০ কর্মী কাজে বিরতি দিয়ে ধর্মঘটে যোগ দেয়। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস

শনইবার রেল বিভাগটিতে কর্মরত প্রায় ৩৫০০ কর্মী কাজে বিরতি দিয়ে ধর্মঘটে যোগ দেয়। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস

  • 0

ধর্মঘটে সৃষ্ট অচলাবস্থায় ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রতিদিন রেলপথটি দিয়ে চলাচল করা প্রায় ৩ লাখ যাত্রী। কিন্তু পুনরায় সমঝোতা আলোচনা কিংবা অচলাবস্থা শেষ করতে এখন পর্যন্ত উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আজ রোববার লং আইল্যান্ড রেল রোড-এলআইআরআর কর্মীদের ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনে পৌঁছেছে। গত ৩ দশকের ভিতর নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে ব্যস্ত কমিউটার ট্রেন কিংবা রেলপথটিতে এটি প্রথম ধর্মঘট।

সংবাদমাধ্যম আইউইটনেস নিউজ জানায়, গত শুক্রবার মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট অথরিটি-এমটিএর সঙ্গে সমঝোতা না হলে ধর্মঘটের ডাক দেয় রেল বিভাগটির শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী ৫টি ইউনিয়ন।

ফলশ্রুতিতে, শনিবার থেকে ইউনিয়নে যুক্ত ৩ হাজার পাঁচশরও বেশি এলআইআরআর কর্মী কর্মবিরতি দিয়ে ধর্মঘটে যোগ দেয়।

বিক্ষোভরত কর্মীদের দাবি, চলতি বছর তথা এমটিএর সঙ্গে চুক্তির চতুর্থ বছরে ৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করা। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় এ দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

তবে এমটিএ কর্তৃপক্ষ সর্বশেষ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি ও কিছু এককালীন অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া সম্ভব হবে।

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, বিক্ষোভকারীদের দাবি পূরণে যাত্রীদের ভাড়া বৃদ্ধি কিংবা কর্মী ছাঁটাই করতে হবে।

এর আগে বেতন বৃদ্ধি নিয়ে তিন বছর ধরে চলমান ব্যর্থ চুক্তি আলোচনা, ফেডারেল কর্তৃপক্ষের দুইবার হস্তক্ষেপ ও শেষ মুহূর্তের দর কষাকষির পর পরিণতি ধর্মঘটে রূপ নিয়েছে।

এদিকে ধর্মঘটে সৃষ্ট অচলাবস্থায় ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রতিদিন রেলপথটি দিয়ে চলাচল করা প্রায় ৩ লাখ যাত্রী। কিন্তু পুনরায় সমঝোতা আলোচনা কিংবা অচলাবস্থা শেষ করতে এখন পর্যন্ত উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে এমটিএ লং আইল্যান্ডের ছয়টি স্টেশন থেকে কুইন্সের দুটি সাবওয়ে হাবে বিনামূল্যে শাটল বাস চালুর পরিকল্পনা করেছে।

তবে সংস্থাটি স্বীকার করেছে যে, এই সেবা সীমিত হবে এবং প্রয়োজনের তুলনায় আসন সংখ্যা অনেক কম থাকবে।

এদিকে চলমান এ অচলাবস্থার জন্য এমটিএ ও এলআইআরআরের শ্রমিক ইউনিয়নগুলো, উভয়ই একে অপরকে দোষারোপ করছে। এমটির ভাষ্য, শমিকদের প্রতিনিধি দল সমঝোতা আলোচনা ভেস্তে দিয়েছে।

অন্যদিকে শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর অভিযোগ, আলোচনা চলাকালীন একের পর এক প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছিল যা কোনোটিই গ্রহণযোগ্য নয়।