চলমান সংঘাতে ইরানকে সমর্থন ও অ্যামেরিকা-ইসরায়েলের সমালোচনা করায় নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন-ন্যাটো থেকে স্পেনের সদস্যপদ স্থগিত করার পরিকল্পনা করছে অ্যামেরিকা। একইসঙ্গে ইরান যুদ্ধে সহযোগিতা না করায় ন্যাটোর বেশ কয়েকটি দেশের ওপর প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর ইঙ্গিতও দেয় ট্রাম্প প্রশাসন।
অ্যামেরিকান প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এক ফাঁস হওয়া ইমেইল বার্তায় উঠে এসেছে এসব তথ্য।
ফাঁস হওয়া ওই বার্তায় বলা হয়, পেন্টাগন এমন কিছু বিকল্প ব্যবস্থা বিবেচনা করছে যার মাধ্যমে ইরান যুদ্ধের সময় সহযোগিতা না করা ন্যাটো দেশগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।
এর মধ্যে আছে স্পেনের ন্যাটো সদস্যপদ স্থগিত করা, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর ব্রিটেইনের নিয়ন্ত্রণের প্রতি অ্যামেরিকান সমর্থন তুলে নেয়াা এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়িয়ে চাপ প্রয়োগ করা।
ইমেইলে আরও জানানো হয়, ইরানের বিরুদ্ধে বোমা হামলায় নিজ দেশের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় ন্যাটোর দেশগুলোর বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে ন্যাটোর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘এমন ইমেইল অপ্রত্যাশিত নয়।
‘কারণ ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপের দেশগুলোর ওপর চরম অসন্তুষ্ট হয়েছেন, বিশেষ করে স্পেনের প্রতি।’
ইরানে যুদ্ধে শুরু থেকে ইউরোপের যেসব দেশ অ্যামেরিকার সরাসরি সমালোচনা করেছে, তার মধ্যে স্পেন অন্যতম।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ একাধিকবার ইরানের ওপর হামলা অন্যায্য ও বিপজ্জনক সামরিক হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে অ্যামেরিকাকে ন্যাটোর কোনো দেশের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন সানচেজ।