চীনকে ঠেকাতে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা জানাবে অ্যামেরিকা

বাংলাদেশ নিযুক্ত ওয়াশিংটনের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। ছবি: বাসস

  • 0

বাংলাদেশ নিযুক্ত ওয়াশিংটনের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের প্রভাব বেড়ে চলেছে। গত বছর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কেও পরিবর্তন হয়।

বাংলাদেশের নতুন নির্বাচিত সরকারের কাছে চীনের পরিবর্তে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করতে চায় অ্যামেরিকা।

বাংলাদেশ নিযুক্ত ওয়াশিংটনের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের প্রভাব বেড়ে চলেছে।

গত বছর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কেও পরিবর্তন হয়।

এ পরিস্থিতে বাংলাদেশে চীনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ আছে, যা অ্যামেরিকার জন্য দুশ্চিন্তার কারণ।

এমন অবস্থায় চীনের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের পরিবর্তে বাংলাদেশের সরকারকে অ্যামেরিকার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে বলে জানান ক্রিস্টেনসেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ড্রোন কারখানা স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে চীন সরকার। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল।

অন্যদিকে বাংলাদেশে চীনের তৈরি জেএফ-১৭ থানডার ফাইটার যুদ্ধ বিমান কেনার আলোচনা চলমান।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সংবিধিবদ্ধ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে চীন ও বাংলাদেশ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে, যা উভয় দেশের জন্যই সুবিধাজনক।

রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘আমাদের পরস্পরের উপকারী এবং বন্ধুত্বপরায়ণ সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয় এবং আমরা কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপও সহ্য করব না।’