প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তার গণহারে বিতাড়ন এজেন্ডা ত্বরান্বিত করার মাঠের প্রধান শক্তি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইস। এ বাহিনীকে দিয়ে আইনি অনুমোদন না থাকা অভিবাসীদের দ্রুত অ্যামেরিকা থেকে বের করতে নতুন নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে প্রশাসন। একই সঙ্গে বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টাও চলছে।
এরই অংশ হিসেবে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি-ডিএইচএস আইসে নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিনব কৌশল প্রয়োগ করছে। ডিপার্টমেন্টটি বিশ্বযুদ্ধকালীন ছবি ব্যবহারের পাশাপাশি নব্বইয়ের দশকের ‘সুপারম্যান’ অভিনেতা ডিন কেইনকে কাজে লাগাচ্ছে।
নাগরিকদের আইসে যোগদানে উৎসাহ জোগাতে ফেডারেল সরকার মোটা অঙ্কের প্রণোদনার প্রলোভনও দেখাচ্ছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল রবিবার এক প্রতিবেদনে জানায়, আইসে যোগ দিলে এককালীন ৫০ হাজার ডলার প্রণোদনা দেওয়ার পাশাপাশি ৬০ হাজার ডলার পর্যন্ত শিক্ষার্থী ঋণ মওকুফের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, আইসের চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট কোনো ডিগ্রি লাগবে না।
ডিএইচএস আইনশৃঙ্খলা প্রয়োগকারী পদগুলোর জন্য বয়সের সীমাও তুলে নিয়েছে। বিতাড়ন কর্মকর্তা নামে একটি পদ চালু করেছে ডিপার্টমেন্টটি। এ পদে সুনির্দিষ্টভাবে ৪০ বছরের বেশি বয়সী লোকজন আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের একই ধরনের চাকরিতে ফেরার প্রলোভন দিচ্ছে ফেডারেল সংস্থাটি।
আইসের নিয়োগ ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘অ্যামেরিকা অপরাধী ও শিকারিদের আক্রমণের শিকার হয়েছে। তাদের বের করতে আপনাকে দরকার আমাদের।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশাল কর ও ব্যয় বিলে অভিবাসন আইন বাস্তবায়নের জন্য ১৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য অ্যামেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিতাড়ন চেষ্টার লক্ষ্যপূরণ।