রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ৫ দশমিক ৭ মাত্রার কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাণহানি, ভবন ধ্বস ও সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
হতাহতের খবরে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নিউ ইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিকরা। সেই সঙ্গে বাংলাদেশে বসবাস করা স্বজনদের দুশ্চিন্তায় আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি রোধে বাংলাদেশের প্রস্তুতির বিষয়টি।
টিবিএন ২৪কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়ার জিওলজি ও ওশানোগ্রাফি ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ড. খালেকুজ্জামান জানান, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণার তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় রিখটার স্কেলে সর্বোচ্চ ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ৭২ হাজার ভবন ধ্বস ও ব্যাপক প্রাণনাশের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত ছোট মাত্রার ভূমিকম্পগুলোকে ইতিবাচক মনে করছেন এ বিশেষজ্ঞ। এর ফলে বড় মাত্রার ভূমিকম্পের চাপ প্রশমন হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বড় মাত্রার ভূমিকম্প হলে তার জন্য কি ধরনের পূর্বপ্রস্তুতি নিতে হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঢাকা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এখানে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। এজন্য নিতে হবে ৪ ধাপের প্রস্তুতি।’
বাংলাদেশের ভবন নির্মাণ নীতিমালাকে আরো যুগোপযোগী এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা না গেলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের অপেক্ষা করতে হবে বলেও মনে করছেন এ বিশেষজ্ঞ।