অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার চাপে টরন্টোতে বাড়ি বিক্রি ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪ ২০২৬, ১৫:৪২ হালনাগাদ: ফেব্রুয়ারি ৪ ২০২৬, ১৬:৩৩

অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার চাপে টরন্টোতে বাড়ি বিক্রি ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন
  • 0

জানুয়ারি মাসে গ্রেটার টরন্টো এরিয়াতে বাড়ি বিক্রি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে এবং দামও হ্রাস পেয়েছে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে ক্রেতারা অপেক্ষার অবস্থানে থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে টরন্টো রিজিওনাল রিয়েল এস্টেট বোর্ড বা টিআরআরইবি।

জানুয়ারি মাসে গ্রেটার টরন্টো এরিয়াতে বাড়ি বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং দামও হ্রাস পেয়েছে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে ক্রেতারা অপেক্ষার অবস্থানে থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে টরন্টো রিজিওনাল রিয়েল এস্টেট বোর্ড বা টিআরআরইবি।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সমন্বয়ের পর জানুয়ারিতে বাড়ি বিক্রি ডিসেম্বরের তুলনায় ৯ দশমিক ৯ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭৯৫ ইউনিটে। আগের টানা তিন মাসের পতনের ধারাবাহিকতায় এটি ফেব্রুয়ারির পর সবচেয়ে বড় মাসিক পতন এবং মে মাসের পর বিক্রির সর্বনিম্ন স্তর।

একই সময়ে, বোর্ডের হোম প্রাইস ইনডেক্স মাসিক ভিত্তিতে ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৯ লাখ ৪১ হাজার ২০০ ক্যানাডিয়ান ডলারে নেমেছে। এর মাধ্যমে টানা অষ্টম মাসের মতো বাড়ির দামে পতন অব্যাহত থাকল।

গ্রেটার টরন্টো এরিয়ার মধ্যে রয়েছে ক্যানাডার সবচেয়ে জনবহুল শহর টরন্টো এবং এর আশপাশের চারটি আঞ্চলিক পৌর এলাকা।

বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল স্টেইনফেল্ড এক বিবৃতিতে বলেন, “২০২৬ সালের দিকে তাকালে অনেক পরিবার যে চাপ ও অনিশ্চয়তা অনুভব করছে, আবাসন বাজার তারই প্রতিফলন। ক্রয়ক্ষমতা কিছুটা বেড়েছে, তবে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত—যেমন বাড়ির মালিক হওয়া—এখনো অনিশ্চয়তার ভারে চাপা।”

অন্যদিকে, অ্যামেরিকার নেতৃত্বে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাব ক্যানাডার অর্থনীতিকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যদিও অ্যামেরিকা–মেক্সিকো–কানাডা চুক্তি বা USMCA অ্যামেরিকার শুল্ক থেকে ক্যানাডার বড় একটি অংশের রপ্তানি সুরক্ষা দিয়ে আসছে, তবে এই চুক্তির পর্যালোচনা আগামী পহেলা জুলাইয়ের মধ্যে হওয়ার কথা।

বার্ষিক হিসাবে জানুয়ারিতে বাড়ির দাম কমেছে ৮ শতাংশ। একই সময়ে বিক্রি কমেছে ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং নতুন তালিকাভুক্ত বাড়ির সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

টিআরআরইবি তাদের বাজার পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাজারে সরবরাহের উচ্চমাত্রা ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাড়ির দামের বৃদ্ধি সীমিত রাখতে পারে। পাশাপাশি সামগ্রিক বাড়ি বিক্রির কার্যক্রম গত তিন বছরের মতো একই পরিসরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।