নিউ জার্সি স্টেইটের গভর্নর মিকি শেরিল অভিবাসন আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত বিতর্কের প্রেক্ষাপটে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিলে সই করেছেন।
আইউইটনেস নিউজ জানায়,বুধবার স্বাক্ষরিত এসব আইন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতিকে ঘিরে চলমান বিতর্কের মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
নতুন আইনের একটি হলো, ইউএস ইমিগ্রেশন আ্যন্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইস ও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সময় সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগে নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে পারবেন না। আইনটি অনুযায়ী, অধিকাংশ ক্ষেত্রে মুখোশ বা মুখ ঢাকার উপকরণ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে গোপন অভিযানে নিয়োজিত কর্মকর্তা বা যাদের ওপর প্রতিশোধের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের জন্য ব্যতিক্রম ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এই উদ্যোগের পেছনে মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে আইস কর্মকর্তাদের মুখ ঢেকে অভিযান পরিচালনার ঘটনা। যদিও নিউ জার্সিতে স্থানীয় পুলিশ সাধারণত এ ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করে না।
এদিকে, রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা এ আইনের তীব্র বিরোধিতা করেছেন।
তাদের দাবি, এই আইন ফেডারেল কর্মকর্তাদের ওপর স্টেইটের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা, যা সংবিধানবিরোধী।
একইসঙ্গে পাস হওয়া আরেকটি আইনে সরকারি সংস্থা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোনো ব্যক্তির অভিবাসন অবস্থা, নাগরিকত্ব, জন্মস্থান বা সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর সম্পর্কে তথ্য চাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
তৃতীয় আইনে স্টেইটের অ্যাটর্নি জেনারেলের ‘ইমিগ্র্যান্ট ট্রাস্ট ডিরেকটিভ’কে আইনি কাঠামো দেওয়া হয়েছে, যা নির্ধারণ করে কোন পরিস্থিতিতে স্থানীয় ও স্টেইটের পুলিশ ফেডারেল অভিবাসন প্রয়োগে সহযোগিতা করতে পারবে।
গভর্নর শেরিল বলেন, 'এই আইনগুলো প্রমাণ করে নিউ জার্সি সংবিধান মেনে চলে এবং আইনের শাসন বজায় রাখে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। '
'দেশজুড়ে যা দেখা যাচ্ছে, তাতে মুখোশ পরা ও জবাবদিহিহীন ফেডারেল কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। তাই আমরা কমিউনিটির সুরক্ষা জোরদার করছি এবং বাসিন্দাদের ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষায় পদক্ষেপ নিচ্ছি, 'যোগ করেন শেরিল।