সেন্টার ফর চায়না অ্যান্ড গ্লোবালাইজেশনের প্রেসিডেন্ট হেনরি ওয়াং বলেছেন, ইরান অ্যামেরিকা যুদ্ধে চীন এবার মধ্যস্থাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়াং বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি-যে পথ দিয়ে চীনের প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের ৪০ শতাংশ, সেখানে একের পর এক অবরোধ বন্ধ করতে উভয় দেশই(অ্যামেরিকা ও চীন) আগ্রহী। কিন্তু তার আগে যুদ্ধ বন্ধ এবং ন্যায্য মীমাংসা প্রয়োজন।‘
ওয়াং বলেন,’ চলমান পরিস্থিতি নিয়ে অ্যামেরিকা ও চীন দুই দেশই ক্লান্ত কিন্তু এখান থেকে সুন্দরভাবে বের হতে একটি সিঁড়ি প্রয়োজন। আর চীন সেই সিঁড়ি তৈরি করে দিবে, ‘যাতে সহজে বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়।'
এদিকে বেইজিং-এ ট্রাম্পের কূটনৈতিক সফর ঘিরে চীনের ওপর শান্তিপূর্ণ মনোভাব ও আস্থা রেখেছে ইরান।
সফরকালীন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ইরানকে শান্তি চুক্তির টেবিলে ফেরাতে ও সমঝোতায় আনতে আলোচনা করবেন ট্রাম্প।
ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীন তাদের কৌশলগত অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। যেকোনো চুক্তির জামিনদার হিসেবে চীন দায়িত্ব পালন করতে পারে।
বেইজিং-এ দায়িত্বরত তেহরানের রাষ্ট্রদূত আব্দোলরেজা রাহমানি ফাজলি বলেন, অ্যামেরিকার সঙ্গে ইরানের যে কোনো সম্ভাব্য চুক্তি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপন করতে হবে। আর তাতে বড় শক্তিগুলোর নিশ্চয়তা দিতে হবে-বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের।
তেহরানের জন্য বেইজিং যেকোনো চুক্তির জামিনদার হতে পারে বলেও জানান ফাজলি।