Skip to main content

নিউ জার্সির ১১তম কংগ্রেসনাল আসনে চলছে ভোট গ্রহণ

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬ ২০২৬, ১৭:৩৫

মিকি শেরিলের শূন্য পদে তিন প্রতিদ্বন্দী অ্যানালিলিয়া মেজিয়া, জো হ্যাথাওয়ে ও অ্যালান বন্ড (বাঁ থেকে)। কোলাজ: টিবিএন

মিকি শেরিলের শূন্য পদে তিন প্রতিদ্বন্দী অ্যানালিলিয়া মেজিয়া, জো হ্যাথাওয়ে ও অ্যালান বন্ড (বাঁ থেকে)। কোলাজ: টিবিএন

  • 0

দেশের নিয়ম অনুযায়ী, নিউ জার্সির গভর্নর পদে দায়িত্ব পাওয়ার পর কংগ্রেসনাল ইলিভেনথ ডিস্ট্রিক্ট পদ ত্যাগ করেন শেরিল। শুন্য পদে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রগ্রেসিভ নেতা অ্যানালিলিয়া মেজিয়া। অপরদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী র‍্যান্ডলফের মেয়র জো হ্যাথাওয়ে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন অ্যালান বন্ড।

কংগ্রেসে মিকি শেরিলের শুন্য পদে প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে।

আইউইটনেস নিউজ জানায়, আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে শুরু ভোট গ্রহণ চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।

দেশের নিয়ম অনুযায়ী, নিউ জার্সির গভর্নর পদে দায়িত্ব পাওয়ার পর কংগ্রেসনাল ইলিভেনথ ডিস্ট্রিক্ট পদ ত্যাগ করেন শেরিল।

শুন্য পদে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রগ্রেসিভ নেতা অ্যানালিলিয়া মেজিয়া। অপরদিকে রিপাবলিকান প্রার্থীজো হ্যাথাওয়ে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন অ্যালান বন্ড।

নির্বাচনী প্রচারে অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা ও জ্বালানি খরচ প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে।

জো হ্যাথাওয়ে প্রথমবারের মতো বাড়ি কিনতে ইচ্ছুকদের জন্য কর স্থগিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার মতে, নিউ জার্সিতে বাড়ির মালিক হওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

অন্যদিকে অ্যানালিলিয়া মেজিয়া অভিযোগ করেন, রিপাবলিকান নীতির কারণে স্বাস্থ্যসেবা ও জ্বালানি খাতে কর সুবিধা কমে গেছে। যার ফলে এসব খাতে ব্যয় বেড়েছে।

জাতীয় রাজনীতির প্রভাবও এই নির্বাচনে স্পষ্ট। ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন নীতি নিয়ে দুই প্রার্থীর অবস্থান ভিন্ন।

হ্যাথাওয়ে বলেন, প্রয়োজনে তিনি নিজের দল ও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করবেন, যদি তা তার এলাকার জন্য উপকারী হয়।

মেজিয়া পাল্টা অভিযোগ করেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নীতির সমর্থক।

নির্বাচনী লড়াইয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণও দেখা গেছে। একে অপরের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও ইহুদি সম্প্রদায় সম্পর্কিত অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করেছেন দুই প্রার্থী।

ভোটারদের কাছে জীবনযাত্রার ব্যয়, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা বড় ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে। অনেকেই বাড়তি খরচের চাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।