নিষেধাজ্ঞার পর এবার ভোটারদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে অনুমোদন

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। ছবি: বাসস

  • 0

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নির্দেশনা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যটি সঠিকভাবে উপস্থাপিত না হওয়ায় এই ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। আমরা সার্কুলারটি সংশোধন করছি, যাতে কোনো ধরনের সন্দেহ বা বিভ্রান্তির সুযোগ না থাকে।’

ভোটার, প্রার্থী, এজেন্ট, সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন। তবে গোপন ভোটকক্ষের ভেতরে ছবি তোলা যাবে না।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নির্দেশনা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যটি সঠিকভাবে উপস্থাপিত না হওয়ায় এই ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। আমরা সার্কুলারটি সংশোধন করছি, যাতে কোনো ধরনের সন্দেহ বা বিভ্রান্তির সুযোগ না থাকে।’

আখতার আহমেদ আরও বলেন, ‘সংশোধিত নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে ভোটার, প্রার্থী, এজেন্ট, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে কমিশনের অবস্থান নিয়ে সব ধরনের অস্পষ্টতা দূর করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তবে এখানে কিছু বিধিনিষেধ থাকবে। যেমন-পোলিং এজেন্টস, পোলিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখার বিধান নেই। সেই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সদস্য থাকেন, তাদের জন্যও একই বিধান প্রযোজ্য। নিয়মানুযায়ী তারাও কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।’

এর আগে, গতকাল রোববার ইসি একটি নির্দেশনায় জানিয়েছিল, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন করা যাবে না। এ ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।

নির্বাচনে ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় লাগবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচনের ফল ঘোষণা করতে দেরি হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। তবে যতক্ষণ না সব ব্যালটের গণনা শেষ হচ্ছে, ততক্ষণ আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’

ইসি সচিবের মতে, ভোট গণনায় তিন থেকে পাঁচ দিন সময় লাগার কোনো সম্ভাবনাই নেই।