Skip to main content

শুল্ক চাপ কমাতে অ্যামেরিকা থেকে গম আমদানি করছে বাংলাদেশ

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২১ ২০২৫, ৫:৫৬

অ্যামেরিকা থেকে গম আমদানি করছে বাংলাদেশ। ছবি: মালয়েশিয়া টুডে

অ্যামেরিকা থেকে গম আমদানি করছে বাংলাদেশ। ছবি: মালয়েশিয়া টুডে

  • 0

ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের কাছ থেকে শুল্ক ছাড় আদায়ের লক্ষ্যেই এই চুক্তি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগামী পাঁচ বছরে অ্যামেরিকা থেকে বার্ষিক সাত লাখ টন গম আমদানির জন্য রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।

রয়টার্স জানিয়েছে, বাংলাদেশের খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েটসের মধ্যে ঢাকায় স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে এই আমাদানি চুক্তি করা হয়।

এমন একটি সংকটময় মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি করা হলো যখন ১ আগস্ট থেকে বাংলাদেশি রপ্তানির ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন।

ঢাকার কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই চুক্তি অ্যামেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের ৬০০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য বিশেষ করে পোশাকের ক্ষেত্রে আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, এই চুক্তি প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে উন্নতমানের গমের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককেও জোরদার করবে। তিনি আরও বলেন, 'এই পদক্ষেপ অ্যামেরিকার সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা গড়ে তুলতে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা গভীর করতে আমাদের সদিচ্ছার প্রতিফলন।’

সম্প্রটি অ্যামেরিকার শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। ফলে বৃহৎ বাজারে এই খাতের প্রতিযোগিতা হারানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গম আমদানির এই উদ্যোগ ওয়াশিংটনের অবস্থান বাংলাদেশের প্রতি নমনীয় করতে এবং আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত করার জন্য একটি বৃহত্তর কূটনৈতিক ও বাণিজ্য কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুল্ক কমানোর লক্ষ্যে ইতোমধ্যে অ্যামেরিকান কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা চলছে। আলোচনায় এ জাতীয় উচ্চ শুল্ক অ্যামেরিকান বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে পারে বলে মন্ত্রণালয় তাদের যুক্তি স্থাপন করেছে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশ প্রতি বছর প্রায় ৭০ লাখ টন গম আমদানি করে থাকে, যার সিংহভাগই আসে ব্যাক সি অঞ্চল থেকে।