তিন উপদেষ্টাকে বাদ দিতে লিখিত দাবি বিএনপির

টিবিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২৪ ২০২৫, ১৬:২৯ হালনাগাদ: নভেম্বর ২৬ ২০২৫, ১৪:২৫

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর ব্রিফ করেন বিএনপির প্রতিনিধি দল। ছবি: টিবিএন২৪

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর ব্রিফ করেন বিএনপির প্রতিনিধি দল। ছবি: টিবিএন২৪

  • 0

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শনিবার রাতে এক বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং দুই ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলমকে উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ দেওয়ার জন্য লিখিত বক্তব্য জমা দিয়েছে বিএনপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, তিন উপদেষ্টাকে বাদ দিতে বিএনপির পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় শনিবার রাতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে তিনি ছাড়াও চার সদস্যের প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সালাহউদ্দিন বলেন, বিতর্কিত উপদেষ্টাদের পদত্যাগের ব্যাপারে আমরা লিখিত বক্তব্যে জানিয়েছি, আগেও জানিয়েছি। তারা হলেন নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও দুই জন ছাত্র উপদেষ্টা।তিনি বলেন, আমরা মনে করি, তাদের কারণে এ সরকারের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাদের বাদ দেওয়ার জন্য আমরা আজকেও লিখিতভাবে জানিয়েছি।

এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কিনা? জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন বলেন, এটা তারা দেখবেন। আমরা আমাদের কথা বলেছি।

এসময় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মূলত সংস্কার বিচার এবং নির্বাচন এই তিনটার ওপর আলোচনা হয়েছে। সংস্কারের বিষয়ে আমরা পরিষ্কার এবং ওনারা একমত হয়েছেন, সংস্কার যেখানে ঐকমত্যের ভিত্তিতে হওয়ার কথা, তার ভিত্তিতে সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে। সেই কাজ অতি সহসা সম্পন্ন করা সম্ভব। এখানে কোনও দ্বিমত পোষণ করেননি। বিচার ব্যবস্থা বিচার বিভাগ করবে এবং বিচারের আওতায় আনার ব্যাপারে যে আলোচনা হয়েছে, এখানে ওনাদের কোনও দ্বিমত নেই। সুতরাং, ডিসেম্বরের আগেও নির্বাচন করা সম্ভব। এই আলোচনাও হয়েছে।

দলটির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেন, যদি দ্রুত নির্বাচন দেওয়া হয়। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলেছি, আজকে বাংলাদেশে যে নৈরাজ্য হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবনতি হচ্ছে, এক ঘোষণার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে শান্তিশৃঙ্খলা এবং গণতন্ত্র ফিরে আসবে