সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুচিচ রোববার জানিয়েছেন, দেশটির সীমান্তের কাছে হাঙ্গেরির জন্য গ্যাস পরিবহনকারী রাশিয়ান পাইপলাইনে ভয়াবহ শক্তিশালী বিস্ফোরক পাওয়া গেছে। ভুচিচের পাশাপাশি একই দিনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে হাঙ্গেরি।
বিস্ফোরক খুঁজে পাওয়ার পরপর হাঙ্গেরির প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সঙ্গে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান।
সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানায়, সার্বিয়ার সীমান্ত ঘেঁষা পাইপলাইনে বিস্ফোরক স্থাপনের ঘটনায় ইউক্রেনকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী অরবান।
এদিকে হাঙ্গেরির জাতীয় নির্বাচনের আগে ওই ঘটনায় অরবানকেই দোষারোপ করছে তার বিরোধী পক্ষ।
অরবানের দাবি, বলকান স্ট্রিম হিসেবে অভিহিত রাশিয়ান ওই পাইপলাইনটি বুলগেরিয়া ও সার্বিয়া হয়ে কৃষ্ণ সাগরের নিচ দিয়ে তুরস্কে পৌঁছানো রুশ গ্যাসকে হাঙ্গেরির সাথে সংযুক্ত করে। আর দীর্ঘদিন ধরেই রুশ জ্বালানিকে ইউরোপ থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করে আসছে ইউক্রেন।
তবে রুশ পাইপলাইনে বিস্ফোরক স্থাপন সম্পর্কিত অরবানের এ দাবি অস্বীকার করেছে ইউক্রেন।
অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ এ পাইপলাইনটিতে বিস্ফোরক পাওয়ার ঘটনা এমন সময় ঘটেছে, যখন এক সপ্তাহেরও কম সময় পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হাঙ্গেরির জাতীয় নির্বাচন।
শেষ সময়ে ১৬ বছর ধরে দেশটির ক্ষমতায় থাকা অরবানের দল হারাচ্ছেন অনেক তরুণ হাঙ্গেরিয়ানের সমর্থন।
অরবানের প্রধান বিরোধী প্রার্থী পিটার মাগয়ারের ভাষ্য, শেষ সময়ে পরাজয়ের ভয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে এ কাজ ঘটিয়েছে অরবানের দল।
মাগয়ার এক ফেসবুক পোস্টে ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘অনেকেইপ্রকাশ্যে ইঙ্গিত দিয়েছিল যে ইস্টারের সময়, হাঙ্গেরির নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে, সার্বিয়ার গ্যাস পাইপলাইনে হঠাৎ কিছু একটা ঘটবে। আর সেটাই ঘটেছে।‘