নিউ ইয়র্ক সিটি সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগ আরও জোরদার করতে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নিলেন মেয়র জোরান মামদানি।
সিটি হলে গঠন করা হলো নতুন ডিপার্টমেন্ট—মেয়রস অফিস অব ম্যাস এনগেজমেন্ট।
মামদানি জানান, এ ডিপার্টমেন্টের লক্ষ্য হবে সিটি প্রশাসনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
একই সময় তিনি প্রশাসনের চিফ জুডিশিয়াল উপদেষ্টাও নিয়োগ দেওয়ান কথা ঘোষণা করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় দিনে সাবওয়ে চড়ে কাজে গিয়েছেন মেয়র জোরান মামদানি। সাবওয়ের ভেতরে কথা বলেন যাত্রীদের সঙ্গেও।
বেশ সকাল সকালই কাজ শুরু করেছেন গ্র্যান্ড আর্মি প্লাজায়। সেখানে খোলা আকাশের নিচে স্বাক্ষর করলেন নতুন একটি এক্সিকিউটিভ অর্ডারের, যেটির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করলেন ‘অফিস অব ম্যাস এনগেজমেন্ট’ বা ওএমই।
এ অফিস সিটি হল ও বিভিন্ন সিটি এজেন্সির সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ নিশ্চিত করবে।
নতুন এই ডিপার্টমেন্টের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তাসচা ভ্যান অকেন। মেয়র মামদানির নির্বাচনি প্রচারে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন এক ঐতিহাসিক মাঠপর্যায়ের আন্দোলন—যেখানে লাখের বেশি স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন।
তার নেতৃত্বেই নির্বাচনের সময় সিটির তিন মিলিয়নের বেশি দরজায় কড়া নাড়া হয় এবং সাড়ে চার মিলিয়নের বেশি ফোনকল করা হয় ভোটারদের কাছে।
মামদানি মনে করেন, নতুন এ ডিপার্টমেন্ট জনগণের সব প্রয়োজন একটি ছাতার নিচে নিয়ে আসবে।
নতুন অফিসটি কমিউনিটি সংগঠন, ধর্মভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এবং ঐতিহাসিকভাবে উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করবে। নীতিনির্ধারণের প্রতিটি ধাপে জনগণের মতামত অন্তর্ভুক্ত করাই হবে এর মূল লক্ষ্য।
নতুন কমিশনার জানান, জনগণ এখন আর দর্শকের ভূমিকায় থাকবেন না। সিটির উন্নয়নে তারাও হবে অংশীদার।
একই সময়ে মানবাধিকার ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত আলী নাজমিকে মেয়র তার জুডিশিয়ারিবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারের দায়িত্ব দিয়েছেন।